শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

সুদানে প্রায় ৩০০ জনকে হত্যা করেছে আরএসএফ বাহিনী, রেহাই পায়নি নারী-শিশু

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৫ জুলাই ২০২৫, ১৫:৩১

সুদানের উত্তরের করদোফান রাজ্যে সশস্ত্র আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর হামলায় প্রায় ৩০০ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। মানবাধিকারকর্মীরা এই খবর জানিয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই হামলা গতকাল সোমবারও চলেছে।

ইমারজেন্সি লইয়ার্স নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন জানায়, বারা শহরের আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামে আরএসএফ-এর সশস্ত্র সদস্যরা ব্যাপকভাবে হামলা চালায়।

ওই শহর বর্তমানে আরএসএফ-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, শাগ আলনোম নামের একটি গ্রামে আগুন লাগিয়ে এবং গুলি করে ২০০ জনের বেশি মানুষ হত্যা করা হয়েছে। আশেপাশের অন্যান্য গ্রামেও লুটপাট ও সহিংসতার ঘটনায় কমপক্ষে ৩৮ জন নিহত হন এবং অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

গত রবিবার হিলাত হামিদ নামের অপর একটি গ্রামে হামলা চালিয়ে ৪৬ জনকে হত্যা করা হয়, যাদের মধ্যে গর্ভবতী নারী ও শিশুরাও ছিল বলে জানিয়েছে ইমারজেন্সি লইয়ার্স।

জাতিসংঘ জানায়, সংঘর্ষের ফলে ৩ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষ পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আহত ও নিখোঁজদের প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংগঠনটি আরো জানায়, ‘এই গ্রামগুলোতে কোনো সামরিক ঘাঁটি বা অস্ত্রভাণ্ডার ছিল না। তাই স্পষ্টভাবে বলা যায়, এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনকে চরমভাবে উপেক্ষা করে সংগঠিত এক নির্মম গণহত্যা। ’এই বর্বরতার সম্পূর্ণ দায় আরএসএফ নেতৃত্বের ওপর বর্তায় বলেও তারা অভিযোগ করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও একাধিক মানবাধিকার সংগঠন আরএসএফ-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগ এনেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর তারা সহিংস লুটপাট ও গণহত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে আরএসএফ নেতৃত্ব জানিয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে এইসব অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলবে, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সুদানের গৃহযুদ্ধ এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকটে পরিণত হয়েছে। দেশটির অর্ধেকেরও বেশি মানুষ অনাহারে ভুগছে এবং কলেরাসহ বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। এদিকে বৈশ্বিক সাহায্যের ঘাটতির কারণে মানবিক সহায়তা ব্যবস্থাও ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর