শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

গাড়ি থামিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৫ জুলাই ২০২৫, ১৪:০৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। সড়কে পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তাদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন—থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বিপ্লু বড়ুয়া এবং কনস্টেবল মো. সাহাবুদ্দিন, মো. মস্তু, সাকিবুল ও মো. জহির মিয়া।

হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ৩ তারিখে সিলেট থেকে ঢাকার পথে একটি কাভার্ড ভ্যান খাঁটিহাতা এলাকায় থামানো হয়।

দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা গাড়িটিকে আটকে রেখে অবৈধ পণ্য থাকার অজুহাতে চালকের কাছ থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেন। এ ঘটনায় এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনার পরপরই ছয় কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সজীব মিয়া।

তিনি বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমি নতুন করে দায়িত্ব নিয়েছি এবং বর্তমানে থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দিয়ে তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে।

তদন্তে যাদের দায় প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর