শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

টঙ্গীতে মোবাইল ছিনতাই করতে গিয়ে কলেজছাত্র মাহফুজকে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৩ জুলাই ২০২৫, ১৫:২৮

গত ৯ জুলাই (বুধবার) রাত ১২টার পর ফ্লাইওভার থেকে নামার সময় টঙ্গীতে কলেজছাত্র মাহফুজ হত্যা মামলায় র‍্যাব চার ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ রবিবার (১৩ জুলাই) এক সাংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানায় র‍্যাব-১।

র‍্যাব-১ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (অপস্ & মিডিয়া অফিসার) সালমান নূর আলমের দেওয়া লিখিত তথ্য থেকে জানা যায়, গ্রেপ্তাররা হলো- মো. রাফসান জানি রাহাত (২৮), মো. রাশেদুল ইসলাম (২০), মো. কাওছার আহম্মেদ পলাশ (২৩) ও রাকিব ইসলাম (২৬)। তাদের টঙ্গীর বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব জানায়, আব্দুল্লাহপুর বাস স্ট্যান্ড এ গত বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হাতেম আলী কলেজের ছাত্র মো. মাহফুজুর রহমান নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে তার পায়ে রক্তাক্ত জখম হয় এবং তিনি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর কিছু সময় পর তার নিথর মরদেহ আব্দুল্লাহপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন বিআরটির একটি নির্মাণাধীন স্থানে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় মামলা হলে র‌্যাবের ছায়া তদন্ত শুরু হয়।

তদন্তের এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীর এন্ড্রয়েড ফোনটি হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২ ঘণ্টা পর সনাক্ত করা যায়। বর্ণিত ঘটনার সূত্র ধরে র‌্যাব-১ এর একটি আভিযানিক দল মোবাইলের গ্রাহককে দ্রুত সময়ে সনাক্ত করে নজরবন্দীতে আনে।

মোবাইলের গ্রাহককে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, ভুক্তভোগীর ফোনটি টঙ্গীর মাজার বস্তির এক চোরাই মোবাইল ব্যাবসায়ীর কাছ থেকে ৩৫০০ টাকা মূল্যে ক্রয় করেছেন তিনি। অতঃপর মোবাইলের গ্রাহককে বিভিন্ন সন্দেহভাজন চোরাই মোবাইল চক্রের ছবি দেখালে তিনি মোবাইল বিক্রেতা রাকিবকে সনাক্ত করেন। পরবর্তীতে র‌্যাব তাকে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে গ্রেপ্তার করে।

র‍্যাব জানায়, মোবাইল বিক্রেতা রাকিব সাএবক মাদক কারবারি। তিনি বর্তমানে ছিনতাইকারীদের ব্যবহার করে কম মূল্যে মোবাইল সংগ্রহ করেন এবং লাভজনক মূল্যে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে বিক্রয় করেন। একই সঙ্গে ছিনতাইকারীরা তার নিকট থেকে সুইচ গিয়ার এবং অন্যান্য ধারালো সরঞ্জাম সংগ্রহ করেন। চোরাই মোবাইল বিক্রেতা রাকিবের কাছে ১টি ছিনতাই চক্র সর্বমোট ৩টি মোবাইল সেট বিক্রয় করেন।

অভিযানে প্রথমে কাওছার আহম্মেদ পলাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। পলাশের তথ্য অনুযায়ী ছুরি ব্যবহারকারী ছিনতাইকারী রাশেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ছাত্র মাহফুজকে গুরুতর জখমের জন্য একে অপরকে দোষারোপ করেন এবং তাদের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ছিনতাইকারীর সন্ধান দেন। একই সঙ্গে ছিনতাইয়ের সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল চালক রাহাতের সন্ধান দেন। চালক রাহাতকেও একইদিনে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মাধ্যমেই ১টি ছিনতাই চক্র সম্পূর্ণ গ্রেপ্তার হলো।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর