বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

মালাইকার সাক্ষ্য বাতিল করল আদালত

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ জুলাই ২০২৫, ১৬:৪৮

২০১২ সালের বহুল আলোচিত এক মারামারির মামলায় সাক্ষী হিসেবে আর থাকছেন না বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা আরোরা। গতকাল বুধবার তাকে মামলাটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, কারণ তিনি আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে কোনো তথ্য উপস্থাপন করতে পারেননি। একই সঙ্গে, আদালতে হাজির হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে জারি করা জামিনযোগ্য ওয়ারেন্টও বাতিল করা হয়েছে।

এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২২ আগস্ট ধার্য রয়েছে। মালাইকা আরোরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (এসপ্লানেড কোর্ট) কে এস জানওয়ারের আদালতে হাজির হয়ে ওয়ারেন্ট বাতিলের আবেদন করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ওয়ারেন্ট বাতিল করে তাকে সাক্ষী তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হলো।

ঘটনার সূত্রপাত ২০১২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। সেদিন সাইফ আলি খান ও তার বন্ধুরা মিলে মুম্বাইয়ের তাজ হোটেলে এক ব্যবসায়ীকে হুমকি দেন এবং তার নাক ভেঙে দেন বলে অভিযোগ ওঠে।

সেদিন সাইফের সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী কারিনা কাপুর খান, কারিনার বোন কারিশমা কাপুর, অভিনেত্রী মালাইকা আরোরা, অমৃতা আরোরা ও আরও কয়েকজন বন্ধু। ব্যবসায়ী ইকবাল মীর শর্মা অভিযোগ করেন, তিনি সাইফ ও তার বন্ধুদের জোরে কথা বলা নিয়ে আপত্তি তুলতেই সাইফ তাকে ঘুষি মারেন এবং তার শ্বশুরকেও মারধর করা হয়।

ঘটনার দুই বছর পর, ২০১৪ সালে মুম্বাই পুলিশ সাইফ আলি খান ও তার দুই বন্ধু শাকিল লাদাক এবং বিলাল আমরোহির বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা (গুরুতর শারীরিক আঘাত) ও ৩৪ ধারা (সাধারণ উদ্দেশ্য) অনুযায়ী মামলা দায়ের করে। গত বছর জুনে এ মামলার বিচার শুরু হয়।

সাইফের পক্ষ থেকে বলা হয়, ওই ব্যবসায়ী প্রথমে তাদের উদ্দেশ্যে উস্কানিমূলক কথা বলেন এবং নারীদের উদ্দেশ্য করে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন। সেই ঘটনায় প্রতক্ষদর্শী হিসেবে মালাইকা আরোরাকে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা এড়িয়ে গিয়েছেন। সেই কারণেই জামিনযোগ্য ধারায় মালাইকার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর