বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

হিমছড়ি সৈকতে ভেসে গেল চবির ৩ শিক্ষার্থী, একজনের মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ জুলাই ২০২৫, ১৬:৫৫

কক্সবাজারে হিমছড়ি সৈকতে নেমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরো দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) ভোর ৬টার দিকে হিমছড়ি সৈকতে নৌকা নিয়ে সাগরে নামেন তারা।সকাল ৯টার দিকে তাদের নিখোঁজ হওয়ার খবর আসে। বিভাগের সভাপতি মোহাম্মদ সোহাইব কালের কণ্ঠকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, গতকাল সোমবার বিভাগের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আসিফ আহমেদ, অরিত্র হাসান, সাদমান রহমান সাবাবসহ পাঁচ বন্ধু কক্সবাজারে ঘুরতে যান। আসিফ ও অরিত্র বগুড়া এবং সাবাব ঢাকার বাসিন্দা।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে হিমছড়ি সৈকতে সাবাবের মরদেহ পাওয়া যায়। বাকি দুই শিক্ষার্থী এখনো নিখোঁজ। তাদের উদ্ধারে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তানভির মোহাম্মদ হায়দার আরিফ কালের কণ্ঠকে বলেন, সকাল ৯টার দিকে খবর পেয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ করি।

স্রোত প্রবল থাকায় উদ্ধারকাজে সমস্যা হচ্ছে। আমি ও বিভাগীয় কয়েকজন শিক্ষক ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। সেখানে থাকা দুই শিক্ষার্থী যেন একা না থাকে, সে জন্য তাদের বিভাগীয় সিনিয়রদেরও পাঠানো হয়েছে।

নিহত ও নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরহাদ হলে একই কক্ষে থাকতেন। তাদের মৌখিক পরীক্ষা এখনো বাকি ছিল, যা আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

কয়েক দিন পরই তারা দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করতে যাচ্ছিলেন—কিন্তু এ দুর্ঘটনা তাদের সেই স্বপ্ন ছিনিয়ে নিল।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর