শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

৪ বছরের মেয়েকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিলেন বাবা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৬ জুলাই ২০২৫, ১৬:২২

কক্সবাজারের উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড মনখালী এলাকায় কানিজ ফাতেমা জুতি নামের চার বছরের এক শিশুকে হত্যা করেছে তার বাবা। হত্যার পর তার মরদেহ নদীতে ফেলে দেয়া হয়।ঘাতকের নাম আমান উল্লাহ। তাকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে।

শনিবার রাত ৯টার দিকে ঘটনা ঘটে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে ওসি জানান, আমান উল্লাহ একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি। এই নিয়ে স্ত্রীর সাথে প্রায় সময় ঝগড়া লেগে থাকতো। এর জের ধরে মেয়ে কানিজ ফাতেমা জুতিকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলে মারা যায় মেয়েটি। হত্যার পর তার মরদেহ পাশের নদীতে ফেলে দেয় পাষণ্ড পিতা। এই ঘটনা জানাজানি হলে ঘরের ভেতর ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয় অভিযুক্ত ঘাতক আমান উল্লাহ।

পরে স্থানীয় লোকজন ঘরের চালা ছিঁড়ে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে আটক করে এবং ঘটনার কথা স্বীকার করে। এক পর্যায়ে মরদেহ নদীতে ফেলে দেয়ার কথাও স্বীকার করে। তখন দ্রুত এলাকার ৩০-৪০ জন লোক নদীর নেমে অনেকক্ষণ তল্লাশী করে শিশুর মরদেহটি উদ্ধার করে।

মেয়েকে খুনের কথা অকপটে স্বীকার করেছে ঘাতক আমান উল্লাহ। এলাকার লোকজনের জিজ্ঞাসাবাদে খুনের সময় মাদক সেবন করেছিল বলে দাবি করে এই পাষণ্ড।

আটকের পর তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় লোকজন। নিহত শিশুর মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর রাত ১টার দিকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান থানার ওসি আরিফ হোসেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর