শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

পাকিস্তানে টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা, এক সপ্তাহে অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩০ জুন ২০২৫, ১৭:০২

পাকিস্তানে টানা এক সপ্তাহের প্রবল মৌসুমি বৃষ্টিপাত ও হঠাৎ সৃষ্ট বন্যায় অন্তত ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন বহু মানুষ। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) ও প্রাদেশিক জরুরি সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবারও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া অব্যাহত ছিল। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার মতো পরিস্থিতি ফের দেখা দিতে পারে।

গত মঙ্গলবার থেকে অস্বাভাবিক মাত্রার প্রবল বৃষ্টিতে মৃতদের মধ্যে ২২ জন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে, ১৩ জন পূর্বাঞ্চলীয় পাঞ্জাবে, ৭ জন দক্ষিণ সিন্ধুতে এবং ৪ জন দক্ষিণ-পশ্চিম বেলুচিস্তানে মারা গেছেন।

পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক ইরফান ভিরক বলেন, ‘আমরা এবারের মৌসুমে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।’

তিনি জানান, ২০২২ সালে যে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল, সেটি আবারও ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সে সময় দেশের এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছিল এবং প্রায় ১ হাজার ৭৩৭ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। গত সপ্তাহে যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে মর্মান্তিক ছিল শুক্রবারের এক দুর্ঘটনা—খাইবার পাখতুনখোয়ার উত্তরাঞ্চলের স্বাত নদীতে একই পরিবারের ১৭ জন সদস্য প্রবল স্রোতে ভেসে যান।

তাদের মধ্যে ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাদেশিক জরুরি পরিষেবা সংস্থার মুখপাত্র বিলাল ফাইজী জানান, ‘এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন এবং সোমবার ডুবুরিরা তাকে খুঁজে পেতে অভিযান চালাচ্ছেন।’ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

অনেকেই অভিযোগ করেছেন, জরুরি সেবার প্রতিক্রিয়া খুবই ধীর ছিল এবং যথাসময়ে উদ্ধার কাজ শুরু হয়নি।

পাকিস্তান সরকার এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আগাম সতর্কতা জারি করে জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহবান জানিয়েছে। তবু অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও দুর্বল অবকাঠামো দেশটিকে বড় ধরনের মানবিক সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

 

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর