বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

রোগ নিরাময়ে এবার ব্যাকটেরিয়াখেকো ভাইরাস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৮ জুন ২০২৫, ১৭:২৮

বিজ্ঞানীরা এমন এক ধরনের ভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন যা শরীরকে আক্রমণ করে না বরং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। ‘ব্যাক্টেরিওফেজ’ নামের এই ভাইরাসগুলোকে বলা হয় ব্যাকটেরিয়াভোজী ভাইরাস যার সর্বশেষ সংযোজন ‘গ্যালাঘের-ফেজ’। আবিষ্কর্তা বিজ্ঞানী জেমস গ্যালাঘেরের নাম অনুসারে এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়।

গবেষণা অনুযায়ী, ‘গ্যালাঘের-ফেজ’ মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে শক্তিশালী ও কার্যকর আক্রমণ চালায়।

ভাইরাসটি ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে তার কোষকে নিজের সংখ্যা বৃদ্ধির কাজে ব্যবহার করে। পরবর্তীতে ব্যাকটেরিয়াটিকে ধ্বংস করে পুনরায় অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করতে বহুগুণে বেরিয়ে যায়।

এই ভাইরাসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি অ্যান্টিবায়োটিকের মতো ভালো ও খারাপ উভয় ব্যাকটেরিয়াকে একসঙ্গে ধ্বংস করে না। বরং নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক কাজ করে।

ফলে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তুলনামূলকভাবে অনেক কম। তবে এটি প্রয়োগে সতর্কতা দরকার। কারণ প্রতিটি ফেজ নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে কাজ করে। তাই চিকিৎসার আগে পরীক্ষাগারে নির্ধারণ করতে হবে কোন ফেজ কোন সংক্রমণে ব্যবহারযোগ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘গ্যালাঘের-ফেজ’ সংক্রমিত বা ক্ষতস্থানে সরাসরি প্রয়োগ করা সম্ভব। এমনকি নেবুলাইজারের মাধ্যমে ফুসফুস বা মূত্রনালীর সংক্রমণের চিকিৎসাতেও এর কার্যকারিতা রয়েছে। বিশ্বজুড়ে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার হুমকির মধ্যে এই আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর