বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

রাষ্ট্রপতির শপথ নিয়ে রুলের শুনানি ৭ জুলাই

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৩ জুন ২০২৫, ১৮:৪২

রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ব্যক্তিকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের শপথ পাঠ করানোর বৈধতা প্রশ্নে আগামী ৭ জুলাই শুনানির দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২৩ জুন) বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই তারিখ ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ব্যক্তিকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের শপথ পাঠ করানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ১০ মার্চ হাইকোর্টে রিট করেন গীতিকবি ও লেখক শহীদুল্লাহ ফরায়জী। পরদিন এই রিটে প্রাথমিক শুনানির পর আদালত রুল জারি করেন।

পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত করা এমন বিধান (রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ব্যক্তিকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের শপথ পাঠ করানো) কেন ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না এবং এই বিধান স্বেচ্ছাচারী, অসাংবিধানিক এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী হওয়ায় কেন তা বাতিল করা হবে না, জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। আইন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে আট সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

রিট আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিবাদীদের কাছ থেকে রুলের জবাব পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় রুলটি শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হলে আগামী ৭ জুলাই আদালত শুনানির তারিখ ধার্য করেন।

’ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান।
রিটে বলা হয়, রাষ্ট্রের মালিক হিসাবে নাগরিকের অধিকার সমুন্নত রাখতে রাষ্ট্রপ্রধানের শপথ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। রাষ্ট্রপতির শপথ তার অধীন বা একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির (স্পিকার) কাছ থেকে উচিত নয়। কারণ স্পিকারের কার্যাবলি রাষ্ট্রপতি নিজেই পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধান করে থাকেন।

স্বাধীন, সাংবিধানিক সংস্থা বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে প্রধান বিচারপতি পদটি সম্পূর্ণ নির্দলীয় এবং নিরপেক্ষ। তা ছাড়া তিনি (প্রধান বিচারপতি) সংবিধানের অভিভাবক। সুতরাং রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ানোর জন্য প্রধান বিচারপতি পদটিই সবচেয়ে ভালো পদ।

রিটে আরো বলা হয়, সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন হওয়া সত্ত্বেও, চতুর্থ সংশোধনী এবং পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধানটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে পরিবর্তন করা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল রাষ্ট্রপতির পদের ক্ষমতা, মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করা এবং রাষ্ট্রপতির ওপর পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা।

সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর আগে প্রধান বিচারপতিকে শপথ পাঠ করাতেন রাষ্ট্রপতি। আর রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাতেন প্রধান বিচারপতি। চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির শপথ পাঠ করানোর বিধানে পরিবর্তন আনা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার। পরে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান বাতিল করে দেওয়া হয়।

কিন্তু ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে স্পিকারের শপথ পাঠ করানার বিধান ফিরিয়ে আনা হয়। যেহেতু সম্প্রতি সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী কিছু অংশ বাতিল করা হয়েছে, তাই রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করানোর বিদ্যমান বিধানটিও বাতিল করা হোক।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর