প্রকাশিত:
২৩ জুন ২০২৫, ১৮:২২
বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষকে নিজের শয়নকক্ষ বানানোর অভিযোগ উঠেছে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ আতাউল হক খান চৌধুরীর বিরুদ্ধ। ওই শ্রেণিকক্ষের আসবাবপত্র সরিয়ে সেটিকে নিজের শয়নকক্ষ দু’বছর ধরে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।
বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায়, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শ্রেণিকক্ষে বসবাসের জন্য রাখা হয়েছে বিছানা, এসি, ফ্রিজ, টিভি, আলনা, চেয়ার-টেবিল। ৩১০১ নম্বর ওই কক্ষে আরো রাখা হয়েছে কম্পিউটার ও জুতা রাখার তাক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কলেজের এক শিক্ষক বলেন, ‘উপাধ্যক্ষ আতাউল হক খান চৌধুরী দুর্নীতিতে লিপ্ত। তিনি কলেজের বিভিন্ন খাতের টাকা এদিক-সেদিক করেন। এর আগে যে কলেজে ছিলেন, সেখানেও দুদকের মামলা আছে।’
কলেজের কর্মচারী বলেন, ‘স্যার এখানে ২ বছরের বেশি সময় ধরে থাকেন।
বাড়ি ভাড়া পেলেও এখানেই থাকেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরে ছুটিতে বাড়িতে আছেন।’
জানা যায়, উপাধ্যক্ষ আতাউল হক কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার চৌধুরী বাড়ি মহল্লার বাসিন্দা। তিনি আগে ফরিদপুরের রাজবাড়ীর পাংশা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ থাকাবস্থায় তার বিরুদ্ধে সেখানে ২৯ লাখেরও বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়।
শ্রেণিকক্ষে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে আতাউল হক বলেন, ‘এটা আমি ঠিক করি নাই। আমি আর সেখানে থাকব না। আমাকে অধ্যক্ষ স্যার থাকতে বলছেন। তিনি (অধ্যক্ষ) বলেছিলেন- একা মানুষ দূরে কোথাও না থেকে কলেজে থাকেন। এর আগেও ইংরেজি বিভাগের শিক্ষকসহ অনেক শিক্ষক ছিলেন এখানে।
’কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মীর্জা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমি কোনো অনুমতি দেয়নি। আমি বিষয়টা আপনার কাছ থেকে অবগত হলাম। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মন্তব্য করুন: