শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

শ্রেণিকক্ষকে শয়নকক্ষ বানিয়ে এসি-টিভি-ফ্রিজ নিয়ে উপাধ্যক্ষের বসবাস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৩ জুন ২০২৫, ১৮:২২

বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষকে নিজের শয়নকক্ষ বানানোর অভিযোগ উঠেছে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ আতাউল হক খান চৌধুরীর বিরুদ্ধ। ওই শ্রেণিকক্ষের আসবাবপত্র সরিয়ে সেটিকে নিজের শয়নকক্ষ দু’বছর ধরে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।

বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায়, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শ্রেণিকক্ষে বসবাসের জন্য রাখা হয়েছে বিছানা, এসি, ফ্রিজ, টিভি, আলনা, চেয়ার-টেবিল। ৩১০১ নম্বর ওই কক্ষে আরো রাখা হয়েছে কম্পিউটার ও জুতা রাখার তাক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কলেজের এক শিক্ষক বলেন, ‘উপাধ্যক্ষ আতাউল হক খান চৌধুরী দুর্নীতিতে লিপ্ত। তিনি কলেজের বিভিন্ন খাতের টাকা এদিক-সেদিক করেন। এর আগে যে কলেজে ছিলেন, সেখানেও দুদকের মামলা আছে।’

কলেজের কর্মচারী বলেন, ‘স্যার এখানে ২ বছরের বেশি সময় ধরে থাকেন।

বাড়ি ভাড়া পেলেও এখানেই থাকেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরে ছুটিতে বাড়িতে আছেন।’
জানা যায়, উপাধ্যক্ষ আতাউল হক কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার চৌধুরী বাড়ি মহল্লার বাসিন্দা। তিনি আগে ফরিদপুরের রাজবাড়ীর পাংশা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ থাকাবস্থায় তার বিরুদ্ধে সেখানে ২৯ লাখেরও বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়।

 শ্রেণিকক্ষে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে আতাউল হক বলেন, ‘এটা আমি ঠিক করি নাই। আমি আর সেখানে থাকব না। আমাকে অধ্যক্ষ স্যার থাকতে বলছেন। তিনি (অধ্যক্ষ) বলেছিলেন- একা মানুষ দূরে কোথাও না থেকে কলেজে থাকেন। এর আগেও ইংরেজি বিভাগের শিক্ষকসহ অনেক শিক্ষক ছিলেন এখানে।

’কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মীর্জা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমি কোনো অনুমতি দেয়নি। আমি বিষয়টা আপনার কাছ থেকে অবগত হলাম। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর