বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

দাফনের ১২২ দিন পরও কবরে অক্ষত মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৩ জুন ২০২৫, ১৭:০৯

কুমিল্লার বুড়িচংয়ের আগানগর গ্রামে ঘটেছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। মৃত্যুর ১২২ দিন পর কবর থেকে অক্ষত অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গতকাল রবিবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় আগানগর গ্রামের আব্দুল গফুর আল ক্বাদরীর মরদেহটি কবর থেকে উত্তোলন করা হয়।

তার পরিবারের সদস্যরা জানান, কয়েক দিন ধরে তারা নিয়মিতভাবে স্বপ্নে দেখছিলেন, কবরের ভেতর তাদের পিতা কষ্টে আছেন। বিষয়টি জানানো হয় শাহপুর দরবার শরীফের হুজুরকে। তিনি কবর খননের পরামর্শ দেন। এরপর ধর্মীয় পরামর্শ ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

তখন কাফনের কাপড়সহ মরদেহ অক্ষত দেখে সবাই বিস্মিত হন। পরে রাত ১১টার দিকে মরদেহটি ইট-সিমেন্ট দিয়ে নতুনভাবে পাকা করে অন্যস্থানে আবার দাফন করা হয়।

এই অলৌকিক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বুড়িচং প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক কাজী খোরশেদ আলমসহ স্থানীয় অনেকেই বলেন, যেভাবে ১২২ দিন আগে দাফন করা হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই মরদেহ পাওয়া গেছে। হাত, মুখ বা শরীরে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

এটি এক অবিশ্বাস্য ব্যাপার।

প্রয়াত হাজী গফুর আল ক্বাদরী ছিলেন আগানগর গ্রামের বাসিন্দা, সাবেক ইউপি সদস্য ও সিরাজ চেয়ারম্যান বাড়ির একজন সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি ছিলেন শাহপুর দরবার শরীফের মুরিদ, বুড়িচং উপজেলা ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটি ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল প্রায় ১০০ বছর। জীবদ্দশায় তিনি ১০ বার হজ এবং ২৯ বার ওমরাহ পালন করেন।

ছিলেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি ও রোজাদার। মৃত্যুকালে তিনি চার ছেলে ও চার মেয়ে রেখে যান।
তার সন্তান মাওলানা মিজানুর রহমান আল ক্বাদরী, হাজী মো. মনিরুল ইসলাম, প্রভাষক গোলাম মোস্তফা ও হাফেজ মো. মাহবুব আলম জানান, টানা বৃষ্টির ফলে কবরের ভেতরে পানি জমে গিয়েছিল। তার পর থেকেই একের পর এক স্বপ্ন আসতে থাকে।

বুড়িচং উপজেলা ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. গোলাম হাসান বলেন, হাজী গফুর ছিলেন একজন পরহেজগার, নম্র ও ধর্মপরায়ণ মানুষ। আল্লাহ তায়ালা তার এই ভালো আমলের জন্য হয়তো এমন সম্মান দিয়েছেন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর