বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

তারেক

দুর্নীতির দায়ে উপদেষ্টা আসিফের ফাঁসি হওয়া উচিত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২২ জুন ২০২৫, ১৭:২৬

ঢাকা মহানগরের দুই তরুণ রাজনীতিক, ইশরাক হোসেন ও মো. আসিফ বর্তমানে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। এক টিভি টকশোতে আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান সরাসরি প্রশ্ন তোলেন—এই দুইজনের মধ্যে কে বেশি দুর্নীতিতে জড়িত হয়েছেন এবং কার বিরুদ্ধে জনমতের সমর্থন রয়েছে?

তারেক রহমান দাবি করেন, আসিফ একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ছত্রচ্ছায়ায় ক্ষমতায় এসেছেন। একজন ১৫০ টাকার ছেলে বাই চান্স রাজনীতিতে ঢুকে দুর্নীতির চরম উদাহরণ তৈরি করেছেন। তারেকের কথায়, আসিফের বিরুদ্ধে সরকারি নিয়োগে বাণিজ্য, ডিও লেটারের অপব্যবহার এবং প্রশাসক পদে বেচাকেনার অভিযোগ রয়েছে।

তারেকের মতে, আসিফের যতগুলো কেলেংকারি বের হয়েছে সে হিসাব করলে তার ফাঁসি হয়ে যায়।
তারেক বলেন, ‘বিভিন্ন হোটেল ও ভবনে গোপনে ভাইভা নিয়ে প্রশাসক নিয়োগে জড়িত ছিল একটি গোষ্ঠী, যার সঙ্গে আসিফ সরাসরি সম্পৃক্ত। বিশেষ করে, মহাখালীর একটি ভবনে এনসিপির মাধ্যমে নেওয়া সাক্ষাৎকার এবং রুপায়ন টাওয়ারে দায়িত্ব বণ্টনের ঘটনাগুলোর কথা তুলে ধরেন। অন্যদিকে, ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে তেমন কোনো দুর্নীতির অভিযোগ মেলেনি, বরং আদালতের রায়ে তার পক্ষে সিদ্ধান্ত এসেছে।

তারেকের বক্তব্য অনুযায়ী, ইশরাক তো শপথই নেন নি, তাহলে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আদালত রায় দিয়েছেন, তিনি প্রকৃত বিজয়ী। তাহলে তাকে দায়িত্ব কেন দেওয়া হচ্ছে না?’
তিনি অভিযোগ করেন, একই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামে একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও, ঢাকায় ইশরাককে বঞ্চিত করা হচ্ছে। বিষয়টি ‘নির্বাচনী বৈষম্য’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আসিফের সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয়তা কৃত্রিম। বিদেশি বট দিয়ে লাইক-কমেন্ট বাড়িয়ে তিনি নিজেকে জনপ্রিয় দেখানোর চেষ্টা করছেন। অথচ বাস্তবতা ভিন্ন।’ তিনি এটাও বলেন যে, ‘এমন একজন তরুণ, যিনি দুর্নীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তাঁকে দায়িত্বে বহাল রাখাই সরকারের জন্য লজ্জাজনক।’

টকশোতে তারেক রহমান একাধিকবার বলেন, ‘জামায়াত, এনসিপি, জাতীয় পার্টি সহ বিভিন্ন দল নিজেদের স্বার্থে অবস্থান পরিবর্তন করছে।

’তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের দল ধানের শীষ প্রতীক নিতে চায় না, আমরা সম্মানের সঙ্গে আলাদা অবস্থানেই থাকতে চাই।’

পরিশেষে তারেক বলেন, ‘নির্বাচন সামনে রেখে যেভাবে দুর্নীতি ও বৈষম্যের সংস্কৃতি চলছে, তাতে জনমনে অনাস্থা তৈরি হচ্ছে। আর এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে, সমান আচরণ এবং রাজনৈতিক ন্যায়বিচার অপরিহার্য।’

ঢাকা মহানগরের দুই তরুণ রাজনীতিক, ইশরাক হোসেন ও মো. আসিফ বর্তমানে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। এক টিভি টকশোতে আমজনতা দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান সরাসরি প্রশ্ন তোলেন—এই দুইজনের মধ্যে কে বেশি দুর্নীতিতে জড়িত হয়েছেন এবং কার বিরুদ্ধে জনমতের সমর্থন রয়েছে?

তারেক রহমান দাবি করেন, আসিফ একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর ছত্রচ্ছায়ায় ক্ষমতায় এসেছেন। একজন ১৫০ টাকার ছেলে বাই চান্স রাজনীতিতে ঢুকে দুর্নীতির চরম উদাহরণ তৈরি করেছেন। তারেকের কথায়, আসিফের বিরুদ্ধে সরকারি নিয়োগে বাণিজ্য, ডিও লেটারের অপব্যবহার এবং প্রশাসক পদে বেচাকেনার অভিযোগ রয়েছে।

তারেকের মতে, আসিফের যতগুলো কেলেংকারি বের হয়েছে সে হিসাব করলে তার ফাঁসি হয়ে যায়।
তারেক বলেন, ‘বিভিন্ন হোটেল ও ভবনে গোপনে ভাইভা নিয়ে প্রশাসক নিয়োগে জড়িত ছিল একটি গোষ্ঠী, যার সঙ্গে আসিফ সরাসরি সম্পৃক্ত। বিশেষ করে, মহাখালীর একটি ভবনে এনসিপির মাধ্যমে নেওয়া সাক্ষাৎকার এবং রুপায়ন টাওয়ারে দায়িত্ব বণ্টনের ঘটনাগুলোর কথা তুলে ধরেন। অন্যদিকে, ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে তেমন কোনো দুর্নীতির অভিযোগ মেলেনি, বরং আদালতের রায়ে তার পক্ষে সিদ্ধান্ত এসেছে।

তারেকের বক্তব্য অনুযায়ী, ইশরাক তো শপথই নেন নি, তাহলে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আদালত রায় দিয়েছেন, তিনি প্রকৃত বিজয়ী। তাহলে তাকে দায়িত্ব কেন দেওয়া হচ্ছে না?’

তিনি অভিযোগ করেন, একই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামে একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হলেও, ঢাকায় ইশরাককে বঞ্চিত করা হচ্ছে। বিষয়টি ‘নির্বাচনী বৈষম্য’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আসিফের সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয়তা কৃত্রিম। বিদেশি বট দিয়ে লাইক-কমেন্ট বাড়িয়ে তিনি নিজেকে জনপ্রিয় দেখানোর চেষ্টা করছেন। অথচ বাস্তবতা ভিন্ন।’ তিনি এটাও বলেন যে, ‘এমন একজন তরুণ, যিনি দুর্নীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তাঁকে দায়িত্বে বহাল রাখাই সরকারের জন্য লজ্জাজনক।’

টকশোতে তারেক রহমান একাধিকবার বলেন, ‘জামায়াত, এনসিপি, জাতীয় পার্টি সহ বিভিন্ন দল নিজেদের স্বার্থে অবস্থান পরিবর্তন করছে।

’তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের দল ধানের শীষ প্রতীক নিতে চায় না, আমরা সম্মানের সঙ্গে আলাদা অবস্থানেই থাকতে চাই।’

পরিশেষে তারেক বলেন, ‘নির্বাচন সামনে রেখে যেভাবে দুর্নীতি ও বৈষম্যের সংস্কৃতি চলছে, তাতে জনমনে অনাস্থা তৈরি হচ্ছে। আর এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হলে, সমান আচরণ এবং রাজনৈতিক ন্যায়বিচার অপরিহার্য।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর