বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

একমাত্র ছেলেকে হত্যার পর বস্তায় ভরে ড্রেনে ফেলেন বাবা-মা!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জুন ২০২৫, ১৫:৪৫

নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে মাদকাসক্ত একমাত্র ছেলেকে হত্যার পর বস্তায় ভরে ড্রেনে ফেলে দেন বাবা। এ ঘটনায় সহযোগিতা করেন মা। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শরিফুল হাসান।

নিহত জনি সরকার (২৫) সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার বিশ্নপুর গ্রামের করুনা সরকার ও অসিতা রানী সরকারের ছেলে।

নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) হাসিনুজ্জামান বলেন, ‘ফতুল্লার লালখা শিহাচর এলাকার দুলাল পুলিশের বাড়িতে স্ত্রী, দুই মেয়ে ও একপূত্রকে নিয়ে ভাড়া থাকেন। খান সাহেব ওসমান আলী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নৈশপ্রহরীর চাকরি করেন করুনা সরকার। তার ছেলে জনি মাদকাসক্ত ও বখাটে। মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই জনি তার বাবা-মাকে মারধর ও মানসিক নির্যাতন করতেন।

’তিনি আরো বলেন, ‘গত ১৬ জুন রাতেও জনি তার বাবা-মাকে মারধর করেন। এরপর রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে রুটি বানানোর বেলুন দিয়ে জনির মাথায় ও মুখে তার বাবা করুনা সরকার আঘাত করেন। এতে তিনি নিথর হয়ে পড়লে মায়ের সহযোগিতায় প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে রাতেই সড়কের পাশে ড্রেনে ফেলে দেন করুনা সরকার। পরের দিন ১৭ জুন সকালে পুলিশ ড্রেন থেকে জনির বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় করুনা সরকার বাদী অজ্ঞাত আসামি করে ফতুল্লা থানায় মামলা করেন। মামলায় তদন্তে বেরিয়ে আসে হত্যাকাণ্ডের রহস্য।’


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর