শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

গুজরাটে মুষলধারে বৃষ্টিপাত, অন্তত ১৮ জনের প্রাণহানি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ জুন ২০২৫, ১৫:৫১

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটের কিছু অংশে সোমবার থেকে মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে 

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটের কিছু অংশে সোমবার থেকে মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে কমপক্ষে ১৮ জনের প্রাণহানি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আহমেদাবাদ থেকে এএফপি বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে বাসিন্দাদের সাহায্য করতে দুর্যোগ সহায়তা দল মোতায়েন করা হয়েছে। তারা আরো ভারি বর্ষণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

এ ছাড়া মঙ্গলবার রাতে রাজ্য সরকার জানায়, বৃষ্টির কারণে ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছে এবং দুর্যোগ সহায়তা দলগুলো নিম্নাঞ্চল থেকে কয়েক ডজন মানুষ উদ্ধার করেছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পালিতানা ও জেসার শহরে গত ২৪ ঘন্টায় ৮৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাজ্যের ত্রাণ কমিশনার অলোক কুমার পান্ডে বলেন, ঝড়, বজ্রপাত, প্রতিকূল আবহাওয়া ও কাঠামোগত ধসে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পান্ডে বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত এবং দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান নিশ্চিত করার জন্য আন্ত বিভাগীয় সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে।

উদ্ধারকৃতদের মধ্যে রয়েছে গাধাদা এলাকার আম বাগানে আটকা পড়া ১৮ জন কৃষি শ্রমিক ও সুরেন্দ্রনগর জেলার ২২ জন, যেখানে নদীর পানি উপচে তাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে।

ভারতে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হওয়া বর্ষাকাল তীব্র গ্রীষ্মের তাপ থেকে স্বস্তি এনে দেয় এবং পানি সরবরাহ পুনরায় পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু ১.৪ বিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ ভারতজুড়ে প্রতিবছর বর্ষাকালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের কারণে বিপূলসংখ্যক মানুষ প্রাণ হারায়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর