বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

গুজরাটে মুষলধারে বৃষ্টিপাত, অন্তত ১৮ জনের প্রাণহানি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ জুন ২০২৫, ১৫:৫১

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটের কিছু অংশে সোমবার থেকে মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে 

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটের কিছু অংশে সোমবার থেকে মুষলধারে বৃষ্টিপাতের ফলে কমপক্ষে ১৮ জনের প্রাণহানি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আহমেদাবাদ থেকে এএফপি বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে বাসিন্দাদের সাহায্য করতে দুর্যোগ সহায়তা দল মোতায়েন করা হয়েছে। তারা আরো ভারি বর্ষণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

এ ছাড়া মঙ্গলবার রাতে রাজ্য সরকার জানায়, বৃষ্টির কারণে ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছে এবং দুর্যোগ সহায়তা দলগুলো নিম্নাঞ্চল থেকে কয়েক ডজন মানুষ উদ্ধার করেছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পালিতানা ও জেসার শহরে গত ২৪ ঘন্টায় ৮৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাজ্যের ত্রাণ কমিশনার অলোক কুমার পান্ডে বলেন, ঝড়, বজ্রপাত, প্রতিকূল আবহাওয়া ও কাঠামোগত ধসে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পান্ডে বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত এবং দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান নিশ্চিত করার জন্য আন্ত বিভাগীয় সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে।

উদ্ধারকৃতদের মধ্যে রয়েছে গাধাদা এলাকার আম বাগানে আটকা পড়া ১৮ জন কৃষি শ্রমিক ও সুরেন্দ্রনগর জেলার ২২ জন, যেখানে নদীর পানি উপচে তাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে।

ভারতে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হওয়া বর্ষাকাল তীব্র গ্রীষ্মের তাপ থেকে স্বস্তি এনে দেয় এবং পানি সরবরাহ পুনরায় পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু ১.৪ বিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ ভারতজুড়ে প্রতিবছর বর্ষাকালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের কারণে বিপূলসংখ্যক মানুষ প্রাণ হারায়।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর