বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছেনা, বাঁচার আকুতি জয়নালের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ জুন ২০২৫, ১৩:৪১

অর্থের অভাবে অচেনা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা করাতে পারছেনা জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার খাসবাগুড়ী এলাকার মৃত অফিজ উদ্দীনের ছেলে জয়নাল আবেদীন (৫০)। তিনি পেশায় একজন 'ছ' মিলের শ্রমিক হলেও রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে বেকার হয়ে পরেছেন। অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারছেন না।

জানাগেছে, পাঁচবিবি উপজেলার বালিঘাটা ইউনিয়নের খাসবাগুড়ী গ্রামের জয়নাল আবেদীন পেশায় একজন ছিলেন 'ছ' মিলের শ্রমিক। স্থানীয় একটি 'ছ' মিলে কাজ করতেন তিনি। যা উপার্জন হত তা দিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে জীবনযাপন করতেন। নিজের বসতভিটা না থাকলেও পাশেই ভগ্নিপতির বাড়ী সেখানেই আশ্রিত থাকেন তিনি। এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে সে আর কোনো কাজ করতে পারেনা। বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জয়নালের দিন চলে এখন মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে হাত পাতিয়ে ভিক্ষা করে।

জয়নাল আবেদীন বলেন, প্রায় এক বছর আগে স্ত্রীকে নিয়ে নিজ ঘরেই ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। হঠাৎ করেই রাত ১ টার দিকে তার মাথায় টিউমার সাদৃশ্য হয়ে ফুলে উঠে। এতে রাতে কিছুটা বিচলিত হলেও পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই 'ছ' মিলের মালিকের সঙ্গে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যাই। সেখানকার চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কি রোগে আক্রান্ত হয়েছি সেটি নির্নয় করতে না পারলেও কিছু ওষুধ লেখে দেয় এবং উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন।

তিনি আরোও বলেন, এঘটনায় রাজশাহী থেকে বাসায় ফেরে স্ত্রী আমার এমতাবস্থায় দেখে সেও স্টক করে মারা যায়। সংসার জীবনে এক ছেলে এক মেয়ে আমার। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি অন্যত্র। ছেলে ছোটখাটো একটা কোম্পানিতে চাকরি করে বাহিরে থাকে। আমি একা মানুষ ভিক্ষা করে যা পাই তা দিয়ে কোনো রকমে দিন যায় কিন্তু ওষুধ কিনার টাকা নাই। সরকারের কাছে আবেদন আমার যেন চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর