শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

ব্যারিস্টার শামীম

আ. লীগ-বিএনপি একসঙ্গে আন্দোলন করতে পারে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ জুন ২০২৫, ১৭:৪৯

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, ‘আমরা আট সাড়ে আট মাসে বর্তমান সরকারের কোনো সার্টেইনটি দেখতে পারিনি। কারণ বাংলাদেশ অত্যন্ত ভোলাটাইল জায়গা। অত্যন্ত দ্বন্দ্বমুখর, অত্যন্ত পিচ্ছিল একটা জায়গা। যখন নির্বাচন অনেক দেরি হবে, সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ বিএনপি একসঙ্গে আন্দোলন করতে পারে।

’তিনি বলেন, ‘ধরুন যেখানে বিএনপি আন্দোলন করছে তার পিছনে আওয়ামী লীগ দাঁড়িয়েছে। তো সেই সরকার কতজন মানুষ মেরে ক্ষমতায় থাকবে আর একজন নোবেল লরিয়েট মানুষ মেরে ক্ষমতায় থাকবে কেন। নোবেল লরিয়েটরা ক্ষমতায় গেলে তাদের পরিণতি কিন্তু ভালো হয় না। রাজনীতি তো খুব নিষ্ঠুর বাস্তবতার খেলা এবং এক্ষেত্রে আমি মনে করি বিএনপি একটা ছোট্ট বাই পাওয়ার হারিয়ে ফেলেছে।

গত আট মাসে আমরা দেখেছি, বিএনপি রাষ্ট্রীয় যে বিষয়গুলোতে হুংকার দিয়েছে বা সমর্থন দেয়নি সেটা কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি।’
ব্যারিস্টার শামীম বলেন, ‘দেশ তো চালাচ্ছে মব। মবের পিছনে কি আছে সেটা আমরা জানি না। আমরা আন্দাজ করতে পারি।

কিন্তু মব দেশ চালাচ্ছে ছাত্র মব। বিএনপি বলেছিল সংবিধান পুনর্লিখন হবে না এটা হয়নি। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পক্ষে বিএনপি না বলেছিল। এটা অনেকদিন হয়নি। রাষ্ট্রপতির অপসারণ, সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে যে একটা মুভমেন্ট হয়েছিল সেটাও বিএনপি সমর্থন করেনি।

এই চারটাই রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ব্যাপারে বিএনপি জোরগলায় বলেনি আবার নিষিদ্ধ করা যাবে না এটাও জোরগলায় বলেনি।’

‘আমার ব্যক্তিগত অভিমত লার্জেস্ট পার্টি হিসেবে এ বিষয়ে বিএনপির সাইলেন্ট থাকাটা বিএনপির জন্য খুবই ক্ষতিকর হয়েছে। বিএনপি যদি এ বিষয়ে একটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করতো, তাহলে সামনের দিনগুলোতে বিএনপি যেটা বলতো অন্তর্বর্তী সরকার অনেকটা সেটাই শুনতে বাধ্য হতো। বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে এই পদক্ষেপটা বিএনপি কেন ছেড়ে দিল আমরা এটা বুঝছি না।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর