শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

বাবাদের মানসিক চাপ হালকা করার ৫টি বাস্তব উপায়

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ জুন ২০২৫, ১৮:১৫

আধুনিক পিতারা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দায়িত্বশীল। তাঁরা শুধু আয়-রোজগারই করেন না, বরং সন্তানের দেখভাল, ঘরের নানা কাজ, আবেগগত উপস্থিতি এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনাতেও সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু এত কিছু সামলানো সত্ত্বেও অনেক বাবা তাঁদের ক্লান্তি বা মানসিক চাপ নিয়ে প্রকাশ্যে খুব কমই কথা বলেন।

সমাজ এখনো পুরুষদের “সব কিছু চুপচাপ সহ্য করা” মানসিকতায় অভ্যস্ত দেখতে চায়। এই চাপকে ‘অদৃশ্য মানসিক বোঝা’ বলা হয়—যার মধ্যে পড়ে বিল পরিশোধ করা, স্কুলের মিটিং মনে রাখা, ঘরের ভাঙা-চোরা মেরামত, কিংবা বড় পরিকল্পনার মধ্যে পরিবারের ভবিষ্যৎ, খরচ বৃদ্ধি, সন্তানদের পড়ালেখার খরচ জোগাড় ইত্যাদি।

এই প্রসঙ্গে সন্তুষ্টি হেলথকেয়ার-এর কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট সালোনি চাওলা ও প্রধান ডায়েটিশিয়ান ও প্রতিষ্ঠাতা লাভলীন কৌর বাবাদের মানসিক চাপ কমানোর জন্য পাঁচটি সহজ ও কার্যকর উপায় HT লাইফস্টাইলকে জানিয়েছেন:

১. চাপ স্বীকার করুন।
প্রথম ধাপ হলো নিজের মানসিক অবস্থা স্বীকার করা। ক্লান্ত, চিন্তিত বা বিষণ্ণ বোধ করা একেবারেই স্বাভাবিক। যখন আপনি মানবেন যে আপনি চাপের মধ্যে আছেন, তখন আপনি তা পরিচালনা করার জন্য স্বাস্থ্যকর উপায় খুঁজে নিতে পারবেন।

২. সঙ্গীর সঙ্গে দায়িত্ব ভাগ করে নিন।

ঘরের ভেতর খোলামেলা কথা বলুন—স্কুল মিটিং হোক বা ঘরের সমস্যা, সবকিছু ভাগাভাগি করুন। শুধু কাজ নয়, বরং কাজের পরিকল্পনাটাও ভাগ করুন, যাতে একজনের ওপর বাড়তি চাপ না পড়ে। এতে সম্পর্কেও পারস্পরিক বোঝাপড়া দৃঢ় হয়।

৩. অপরাধবোধ ছাড়াই নিজের যত্ন নিন।

নিজের যত্ন নেওয়ার জন্য কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকির অপেক্ষা করবেন না। প্রতিদিন অল্প হাঁটা, নিজের পছন্দের শখের চর্চা বা কিছুটা শান্ত সময় কাটানো মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আপনি সুস্থ থাকলে পরিবারকেও ভালো রাখতে পারবেন।

৪. অন্য বাবাদের সঙ্গে কথা বলুন।

আপনি একা নন। পার্কে, স্কুলে বা অনলাইনে অন্য বাবাদের সঙ্গে আলাপ করুন। অভিজ্ঞতা বিনিময় করলে আপনি বুঝবেন, অনেকেই আপনার মতো অনুভব করেন। এটি একধরনের মানসিক সহায়তা দেয়।

৫. প্রয়োজনে পেশাদার সহায়তা নিন।

চাপ যদি খুব বেশি মনে হয়, তাহলে কাউন্সেলর বা থেরাপিস্টের সাহায্য নেওয়া বিচক্ষণতা। মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া দুর্বলতা নয়, বরং এটি একটি সাহসী ও জ্ঞানী পদক্ষেপ—নিজের ও পরিবারের সুস্থ জীবনের জন্য।

আপনার সবকিছু একা টানার দরকার নেই। একজন ভালো বাবা মানে এমন কেউ নন, যিনি কখনো ক্লান্ত হন না—বরং তিনি এমন একজন, যিনি নিজের বাস্তব অবস্থা স্বীকার করেন, দায়িত্ব ভাগ করে নেন এবং সবার পাশে থাকেন।
 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর