বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা: প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বাড়াচ্ছে পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ জুন ২০২৫, ১৫:২৬

আসন্ন ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াচ্ছে পাকিস্তান। পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় এবার এ খাতে ১৭ শতাংশ বেশি ব্যয় করতে চায় ইসলামাবাদ। সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চীন থেকে আধুনিক অস্ত্র সংগ্রহের পরিকল্পনাও করছে দেশটি। এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ব্লুমবার্গ।

মঙ্গলবার (১১ জুন) পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় প্রকাশিত বাজেট সংক্রান্ত কিছু নথি অনুযায়ী, শেহবাজ শরিফের সরকার প্রতিরক্ষা খাতে ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে, যা পাকিস্তানি মুদ্রায় প্রায় ২.৫৫ ট্রিলিয়ন রুপি। আগের অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২.১৮ ট্রিলিয়ন রুপি।

চরম আর্থিক সংকটে থাকা পাকিস্তান বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করছে ঋণের সুদ পরিশোধে। দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যয় খাত হিসেবে রয়েছে প্রতিরক্ষা।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে টানা চার দিন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অংশ নেয় দুই পক্ষই। এর সূত্রপাত হয়েছিল জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকধারীদের এক হামলা থেকে। নয়াদিল্লি এই হামলার জন্য ইসলামাবাদকে দায়ী করলেও, পাকিস্তান তা অস্বীকার করেছে।

সংঘর্ষের সময় পাকিস্তান চীনের তৈরি জেএফ-১৭ এবং জেড-১০সি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে ভারতের ছয়টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে বলে দাবি করেছে। এরপর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীনা অস্ত্রের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায়।

এছাড়া, চীন সম্প্রতি পাকিস্তানকে ৪০টি জে-৩৫ (পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান), কেজে-৫০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং এইচকিউ-১৯ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে।

ব্লুমবার্গ আরও জানায়, ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পাকিস্তানের চীন থেকে অস্ত্র আমদানির হার বেড়েছে ৮২ শতাংশ, যেখানে ২০০৯-২০১২ সালের সময়কালে এই হার ছিল ৫১ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও আঞ্চলিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার বাস্তব প্রতিফলন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর