বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

হাসিনার সময়ে চাঁদা দিতাম ৭৫০ টাকা, এবার দিচ্ছি ৩৫০০

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১১ জুন ২০২৫, ১৩:২৬

আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, আমি বেলতলা বাজারে আমের ব্যবসা করি। গত বছর শেখ হাসিনার সময়ে ৭৫০ টাকা করে চাঁদা দিয়েছি। এ বছর ১৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩৫০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে হয়েছে। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, টাকাটা কে নিয়েছে? মসজিদ কমিটি নিয়েছে ১০০ টাকা, বাজার কমিটি নিয়েছে ৩৫০ টাকা, শ্রমিক ইউনিয়ন নিয়েছে ১০০ টাকা এভাবে নিয়ে নিয়ে ৭৫০ টাকা হয়েছে।

এ বছর এই চাঁদার পরিমাণ ১৫০০, ২২০০, ৩০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩৫০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। আমি তো সব সময় সেখানে থাকি না; আমার ট্রাক আটকেছে, আমি ওসিকে ফোন দিয়েছি, সেনাবাহিনীকে ফোন দিয়েছি, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। এখন তিনটা দল অনেক আলোচনায়; এই তিনটা দলের পক্ষ থেকে এসে চাঁদা নিয়েছে।

মসজিদ কমিটি খুবই দুর্বল-শক্তি কম তাই গতবারের মতো তারাই শুধু ১০০ টাকা নিয়েছে। এ হলো অবস্থা।

তিনি বলেন, এইটা দেখা দায়িত্ব কার ছিল? ড. ইউনূসের ছিল না? যেই সেনাবাহিনীকে দেখলে সবাই ভয় পায়, তাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে চাঁদাবাজি বন্ধ করা যেত না? এর আগে ফখরুদ্দীন সরকার করেছে না? তত্ত্বাবধায়ক সরকার তিন মাসের মধ্যে করেছে না? দশ মাস ধরে এই সরকার চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দিয়েছে, লুটপাট প্রশ্রয় দিয়েছে, মব ভায়োলেন্সকে প্রশ্রয় দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এই মব সৃষ্টি-লুটপাটের জন্য গণঅভ্যুত্থান হয়েছে নাকি? নিয়োগ বাণিজ্যের জন্য গণঅভ্যুত্থান হয়েছে নাকি? আসিফ মাহমুদরা নিয়োগ বাণিজ্য করবে, বদলি বাণিজ্য, কমিশন বাণিজ্য করবে, বাপকে নিজের মন্ত্রণালয়ে ঠিকাদারি লাইসেন্স দিবে, ওয়াসাতে দুর্নীতি করে নিয়োগ দিবে, পাঠ্যপুস্তকে জালিয়াতি করবে এনসিপি, এগুলোর জন্য গণঅভ্যুত্থান হয়েছে নাকি?

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর