শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

এত অমিলের মধ্যেও ব্যক্তিজীবনে অদ্ভুত মিল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ জুন ২০২৫, ১৪:৫৩

ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে দলাদলি, মতপার্থক্য ও চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেমন আছে, তেমনি আছে কিছু অভিন্ন বৈশিষ্ট্য। এমনই একটি মিল দেখা যায় দেশটির তিন শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব—নরেন্দ্র মোদি, রাহুল গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়—এর মধ্যে। তিনজনই দীর্ঘদিন ধরে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন, কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে তারা সবাই সঙ্গীহীন বা অবিবাহিত।

নরেন্দ্র মোদি, ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শীর্ষ নেতা এবং ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। গুজরাটের এক ছোট শহরে জন্ম নেওয়া মোদি কৈশোরেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর আদর্শে দীক্ষিত হন। যৌবনে তার বিয়ে হলেও, রাজনৈতিক দায়িত্বের কারণে তিনি সংসার জীবন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। তার মতে, জাতির সেবা হলো তার প্রধান শপথ, এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও বিবাহিত জীবনের দায়িত্ব একসাথে পালন করা কঠিন।

রাহুল গান্ধী, ভারতের ঐতিহ্যবাহী কংগ্রেস পরিবারের সন্তান। তার দাদি ইন্দিরা গান্ধী ও পিতা রাজীব গান্ধী দুজনেই হত্যার শিকার হন, যার ফলে রাজনৈতিক দায়িত্বের চাপে তার ব্যক্তিগত জীবন অনেকটাই উপেক্ষিত থেকে যায়। জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা তাকে বিয়ে ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে আরও সংবেদনশীল করে তোলে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান, তার সারা জীবন রাজনীতির সেবায় নিয়োজিত রেখেছেন। জনসেবার প্রতি তার দায়বদ্ধতা এতটাই দৃঢ় যে, তিনি ব্যক্তিগত জীবনকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেছেন। তার মতে, জনসেবা ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য রাখা অত্যন্ত কঠিন, তাই তিনি জনগণের কল্যাণেই নিজেকে উৎসর্গ করেছেন।

এই তিন নেতার জীবন আলাদা হলেও, একটি বিষয়ে তারা একমত—জনসেবার জন্য নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে বিসর্জন দেওয়া যায়। ভারতে বহু রাজনীতিক আছেন যারা সংসার ত্যাগ করে রাজনীতিকে প্রাধান্য দিয়েছেন, কিন্তু মোদি, রাহুল ও মমতা—তাদের একক জীবনকে জনগণের সেবায় রূপান্তর করে তুলেছেন এক অনন্য


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর