শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

২০০ বিলিয়ন ডলার সম্পদের মাত্র ১% সন্তানদের দিচ্ছেন বিল গেটস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩ জুন ২০২৫, ১৫:৫৯

মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ২০ বছরের মধ্যে তিনি তার বিপুল সম্পদের প্রায় পুরোটা ব্যয় করবেন আফ্রিকার স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে। এই পরিকল্পনার আওতায় তিনি তার সন্তানদের জন্য রেখে যাবেন মাত্র ১ শতাংশ সম্পদ, বাকি অংশ ব্যয় হবে আফ্রিকায় মানবসম্পদ উন্নয়নে।

ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দফতরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গেটস বলেন, “আমি সম্প্রতি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আগামী দুই দশকে আমার সম্পদ দান করে দেব। এর বেশিরভাগই ব্যয় হবে আপনাদের—আফ্রিকার—সমস্যাগুলো মোকাবিলায় সহায়তা করতে।”

আয়োজনে অংশ নেওয়া প্রায় ১২ হাজার কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও তরুণ নেতাদের সামনে গেটস বলেন, উন্নয়নের ভিত্তি হচ্ছে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা। “স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মাধ্যমে মানব সম্ভাবনা উন্মোচন করা গেলে আফ্রিকার প্রতিটি দেশই সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। এই যাত্রার অংশ হতে পারাটাই আমার কাছে রোমাঞ্চকর,” বলেন তিনি।

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি বিল গেটসের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে তিনি প্রায় ১৯৮ বিলিয়ন ডলার দান করবেন বলে জানিয়েছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আফ্রিকার জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ, দারিদ্র্য হ্রাস এবং টেকসই উন্নয়নের পথে অগ্রগতি সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর