বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

৪০ টি রুশ যুদ্ধবিমান ধ্বংসে আসতে চলছে পুতিনের ভয়ংকর প্রতিশোধ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ জুন ২০২৫, ১৫:২৬

যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার টেবিলে বসার একদিন আগেই রাশিয়ার ওপর স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, এই হামলায় রাশিয়ার অন্তত ৫টি বিমানঘাঁটিতে আঘাত হানে ইউক্রেন, এবং এতে ৪০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে।

রবিবার একযোগে ১১৭টি ড্রোন ব্যবহার করে এই আক্রমণ চালানো হয় বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা এসপিইউ (SPU)। ‘স্পাইডার ওয়েভ’ নামে পরিচিত এই বিশেষ অভিযানে ব্যবহৃত ড্রোনগুলো ইউক্রেন থেকে চোরাই পথে কার্গো ট্রাকে করে বিমানঘাঁটির কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রিমোট কন্ট্রোলে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়।

এসপিইউ জানায়, এই পরিকল্পনার প্রস্তুতি চলেছে প্রায় দেড় বছর ধরে। হামলার সময় রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাকে ফাঁকি দিয়ে হামলাকারীরা নিরাপদে স্থান ত্যাগ করতেও সক্ষম হয়েছেন।

জেলেনস্কি দাবি করেন, এই হামলায় রাশিয়ার ক্রুজ মিসাইল বহনে সক্ষম বিমানবহরের প্রায় ৩৪% ধ্বংস হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি রাশিয়ার কৌশলগত ক্ষমতার ওপর বড় ধরনের আঘাত।

পাঁচটি বিমানঘাঁটিতে হামলার বিষয়টি রাশিয়ার প্রশাসনও স্বীকার করেছে, তবে তাদের দাবি, বেশিরভাগ ড্রোন প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। এদিকে, ইউক্রেনের দাবি অনুযায়ী এত বড় ক্ষয়ক্ষতির মুখে রাশিয়া কী ধরনের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

হামলার পরপরই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ করেছে রুশ প্রশাসন। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি আলোচনার একদিন আগে এ ধরনের হামলা যুদ্ধের গতিপথ সম্পূর্ণভাবে পাল্টে দিতে পারে।

একদিকে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ, অন্যদিকে এই মাত্রার কৌশলগত হামলা, ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত এখন এক অনিশ্চিত মোড়ে দাঁড়িয়ে। আগামী দিনগুলোতে পুতিন প্রশাসনের প্রতিক্রিয়াই নির্ধারণ করবে, যুদ্ধ কি থামবে, না আরও ভয়ঙ্কর রূপ নেবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর