শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

৪০ টি রুশ যুদ্ধবিমান ধ্বংসে আসতে চলছে পুতিনের ভয়ংকর প্রতিশোধ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ জুন ২০২৫, ১৫:২৬

যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার টেবিলে বসার একদিন আগেই রাশিয়ার ওপর স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, এই হামলায় রাশিয়ার অন্তত ৫টি বিমানঘাঁটিতে আঘাত হানে ইউক্রেন, এবং এতে ৪০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে।

রবিবার একযোগে ১১৭টি ড্রোন ব্যবহার করে এই আক্রমণ চালানো হয় বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা এসপিইউ (SPU)। ‘স্পাইডার ওয়েভ’ নামে পরিচিত এই বিশেষ অভিযানে ব্যবহৃত ড্রোনগুলো ইউক্রেন থেকে চোরাই পথে কার্গো ট্রাকে করে বিমানঘাঁটির কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রিমোট কন্ট্রোলে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়।

এসপিইউ জানায়, এই পরিকল্পনার প্রস্তুতি চলেছে প্রায় দেড় বছর ধরে। হামলার সময় রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাকে ফাঁকি দিয়ে হামলাকারীরা নিরাপদে স্থান ত্যাগ করতেও সক্ষম হয়েছেন।

জেলেনস্কি দাবি করেন, এই হামলায় রাশিয়ার ক্রুজ মিসাইল বহনে সক্ষম বিমানবহরের প্রায় ৩৪% ধ্বংস হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি রাশিয়ার কৌশলগত ক্ষমতার ওপর বড় ধরনের আঘাত।

পাঁচটি বিমানঘাঁটিতে হামলার বিষয়টি রাশিয়ার প্রশাসনও স্বীকার করেছে, তবে তাদের দাবি, বেশিরভাগ ড্রোন প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। এদিকে, ইউক্রেনের দাবি অনুযায়ী এত বড় ক্ষয়ক্ষতির মুখে রাশিয়া কী ধরনের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

হামলার পরপরই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ করেছে রুশ প্রশাসন। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি আলোচনার একদিন আগে এ ধরনের হামলা যুদ্ধের গতিপথ সম্পূর্ণভাবে পাল্টে দিতে পারে।

একদিকে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ, অন্যদিকে এই মাত্রার কৌশলগত হামলা, ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত এখন এক অনিশ্চিত মোড়ে দাঁড়িয়ে। আগামী দিনগুলোতে পুতিন প্রশাসনের প্রতিক্রিয়াই নির্ধারণ করবে, যুদ্ধ কি থামবে, না আরও ভয়ঙ্কর রূপ নেবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর