শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

খাদ্য সহায়তা নিতে আসা মানুষদের ওপর ভয়াবহ হামলা, নিহত অন্তত ৩৯

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১ জুন ২০২৫, ১৭:০৬

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফায় ত্রাণ নিতে যাওয়া মানুষের ওপর ট্যাংক দিয়ে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলর সেনারা। এতে অন্তত ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ২২০ জন।

স্থানীয় সময় রবিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ত্রাণ নিতে ভিড় করা মানুষের ওপর হঠাৎ করে ড্রোন থেকে গুলি ছোড়ে ইসরায়েলি বাহিনী, পরে ট্যাংক থেকেও গোলাবর্ষণ শুরু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, হামলার সময় আশপাশে প্রচণ্ড ভিড় ছিল, বহু মানুষ খাবার ও জরুরি সহায়তার আশায় লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঠিক সেই সময় নির্বিচারে গুলি ছুড়তে শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ঘটনাস্থলেই বহু মানুষ প্রাণ হারান।

বেইত লাহিয়া শহর থেকে বাস্তুচ্যুত সামেহ হামুদা জানান, তিনি গাজা শহর থেকে হেঁটে এসে রাফার কাছে আত্মীয়দের তাবুতে রাত কাটান, তারপর ভোরে সহায়তা কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং অপেক্ষমাণ মানুষের ভিড়ে যোগ দেন। তারা খাদ্য সহায়তা বিতরণ শুরু করেছিল, কিন্তু হঠাৎ করেই কোয়াডকপ্টার ড্রোন থেকে মানুষের ওপর গুলি ছোড়া শুরু হয়, তারপর ট্যাঙ্ক থেকেও ভারী গুলিবর্ষণ শুরু হয়। কয়েকজন মানুষ আমার চোখের সামনে নিহত হন।

৫৮ বছর বয়সী আব্দুল্লাহ বারবাখ বলেন, “ঘটনাস্থলে ছিল চরম বিশৃঙ্খলা, চিৎকার আর ভিড়। সেনাবাহিনী ড্রোন ও ট্যাঙ্ক থেকে গুলি চালায়। মুহূর্তেই বিশৃঙ্খলা শুরু হয়, চারদিকে শহিদ ও আহত মানুষ পড়ে থাকে। আমি বুঝি না, তারা মানুষকে সহায়তা কেন্দ্রগুলোতে ডাকে কেন, যাতে করে তাদের ওপর গুলি চালায়?"

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফায় ত্রাণ নিতে যাওয়া মানুষের ওপর ট্যাংক দিয়ে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলর সেনারা। এতে অন্তত ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ২২০ জন।

স্থানীয় সময় রবিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ত্রাণ নিতে ভিড় করা মানুষের ওপর হঠাৎ করে ড্রোন থেকে গুলি ছোড়ে ইসরায়েলি বাহিনী, পরে ট্যাংক থেকেও গোলাবর্ষণ শুরু হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, হামলার সময় আশপাশে প্রচণ্ড ভিড় ছিল, বহু মানুষ খাবার ও জরুরি সহায়তার আশায় লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঠিক সেই সময় নির্বিচারে গুলি ছুড়তে শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ঘটনাস্থলেই বহু মানুষ প্রাণ হারান।

বেইত লাহিয়া শহর থেকে বাস্তুচ্যুত সামেহ হামুদা জানান, তিনি গাজা শহর থেকে হেঁটে এসে রাফার কাছে আত্মীয়দের তাবুতে রাত কাটান, তারপর ভোরে সহায়তা কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং অপেক্ষমাণ মানুষের ভিড়ে যোগ দেন। তারা খাদ্য সহায়তা বিতরণ শুরু করেছিল, কিন্তু হঠাৎ করেই কোয়াডকপ্টার ড্রোন থেকে মানুষের ওপর গুলি ছোড়া শুরু হয়, তারপর ট্যাঙ্ক থেকেও ভারী গুলিবর্ষণ শুরু হয়। কয়েকজন মানুষ আমার চোখের সামনে নিহত হন।

৫৮ বছর বয়সী আব্দুল্লাহ বারবাখ বলেন, “ঘটনাস্থলে ছিল চরম বিশৃঙ্খলা, চিৎকার আর ভিড়। সেনাবাহিনী ড্রোন ও ট্যাঙ্ক থেকে গুলি চালায়। মুহূর্তেই বিশৃঙ্খলা শুরু হয়, চারদিকে শহিদ ও আহত মানুষ পড়ে থাকে। আমি বুঝি না, তারা মানুষকে সহায়তা কেন্দ্রগুলোতে ডাকে কেন, যাতে করে তাদের ওপর গুলি চালায়?"


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর