শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

আবারও নতুন তেলের খনি আবিষ্কার হলো যে দুই দেশে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৭ মে ২০২৫, ১৭:৫৯

সৌদি আরব ও কুয়েত সম্প্রতি এমন এক খবরে বিশ্ব তেল বাজারে আলোড়ন তুলেছে, যা তাদের শক্তির জোগানদাতা হিসেবে গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলবে। দুই দেশ যৌথভাবে পার্টিশনড জোন নামে পরিচিত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নতুন একটি তেলক্ষেত্রের সন্ধান পেয়েছে।

এই অঞ্চলটি মূলত দুই দেশের মাঝে ১৯২২ সালে চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছিল। এবার সেই পার্টিশনড জোনের উত্তর ওয়াফরা অঞ্চলে, ওয়ারা-বুরগান নামের একটি কূপ থেকে দৈনিক ৫০০ ব্যারেলের বেশি তেল উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানে উৎপাদিত তেলের মান (API গ্র্যাভিটি ২৬-২৭) খুবই ভালো।

এই আবিষ্কার শুধু আরেকটি তেলক্ষেত্র নয়— এটি ২০২০ সালে এই অঞ্চলে উৎপাদন কার্যক্রম আবার শুরু হওয়ার পর প্রথম বড় সাফল্য। তাই এর গুরুত্ব অনেক বেশি। সৌদি ও কুয়েত উভয়েই বলছে, এই খোঁজ তাদের জ্বালানি সরবরাহকারীর হিসেবে বিশ্বে নির্ভরযোগ্যতা আরও বাড়াবে।

সৌদি আরব এই মুহূর্তে ওপেক প্লাসের নেতৃত্ব দিচ্ছে, যেখানে তাদের লক্ষ্য বাজারে ভারসাম্য রক্ষা করা। অন্যদিকে, কুয়েত আগামী পাঁচ বছরে প্রতিদিন তিন মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে।

আরও বড় পরিকল্পনাও রয়েছে— ২০৪০ সালের মধ্যে কুয়েত তাদের টেকসই উৎপাদন ক্ষমতা চার মিলিয়ন ব্যারেল পর্যন্ত বাড়াতে চায়। এর অংশ হিসেবে এই নতুন তেল আবিষ্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

সব মিলিয়ে, এই খোঁজ শুধু দুই দেশের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জ্বালানি ভবিষ্যতের জন্যই একটি আশার আলো। বিশ্ব যখন জ্বালানির নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য নিয়ে চিন্তিত, তখন এমন এক সাফল্য কিছুটা হলেও আশ্বস্ত করে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর