বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

আবারও নতুন তেলের খনি আবিষ্কার হলো যে দুই দেশে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৭ মে ২০২৫, ১৭:৫৯

সৌদি আরব ও কুয়েত সম্প্রতি এমন এক খবরে বিশ্ব তেল বাজারে আলোড়ন তুলেছে, যা তাদের শক্তির জোগানদাতা হিসেবে গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলবে। দুই দেশ যৌথভাবে পার্টিশনড জোন নামে পরিচিত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নতুন একটি তেলক্ষেত্রের সন্ধান পেয়েছে।

এই অঞ্চলটি মূলত দুই দেশের মাঝে ১৯২২ সালে চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছিল। এবার সেই পার্টিশনড জোনের উত্তর ওয়াফরা অঞ্চলে, ওয়ারা-বুরগান নামের একটি কূপ থেকে দৈনিক ৫০০ ব্যারেলের বেশি তেল উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানে উৎপাদিত তেলের মান (API গ্র্যাভিটি ২৬-২৭) খুবই ভালো।

এই আবিষ্কার শুধু আরেকটি তেলক্ষেত্র নয়— এটি ২০২০ সালে এই অঞ্চলে উৎপাদন কার্যক্রম আবার শুরু হওয়ার পর প্রথম বড় সাফল্য। তাই এর গুরুত্ব অনেক বেশি। সৌদি ও কুয়েত উভয়েই বলছে, এই খোঁজ তাদের জ্বালানি সরবরাহকারীর হিসেবে বিশ্বে নির্ভরযোগ্যতা আরও বাড়াবে।

সৌদি আরব এই মুহূর্তে ওপেক প্লাসের নেতৃত্ব দিচ্ছে, যেখানে তাদের লক্ষ্য বাজারে ভারসাম্য রক্ষা করা। অন্যদিকে, কুয়েত আগামী পাঁচ বছরে প্রতিদিন তিন মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে।

আরও বড় পরিকল্পনাও রয়েছে— ২০৪০ সালের মধ্যে কুয়েত তাদের টেকসই উৎপাদন ক্ষমতা চার মিলিয়ন ব্যারেল পর্যন্ত বাড়াতে চায়। এর অংশ হিসেবে এই নতুন তেল আবিষ্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

সব মিলিয়ে, এই খোঁজ শুধু দুই দেশের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জ্বালানি ভবিষ্যতের জন্যই একটি আশার আলো। বিশ্ব যখন জ্বালানির নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য নিয়ে চিন্তিত, তখন এমন এক সাফল্য কিছুটা হলেও আশ্বস্ত করে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর