শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

যে কারণে তরুণরাই চায় ইন্টারনেটহীন পৃথিবী

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৬ মে ২০২৫, ১৬:৩০

সোশ্যাল মিডিয়া এখন শুধু সময় কাটানোর মাধ্যম নয়, অনেক তরুণের জন্য এটি মানসিক চাপ ও আত্মবিশ্বাস হারানোর উৎসে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি ব্রিটিশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক জরিপে উঠে এসেছে ভয়াবহ চিত্র প্রতি ১০ জন তরুণের ৭ জন (৬৮%) জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটানোর পর তারা নিজেদের নিয়ে আরও খারাপ অনুভব করে।

বিশেষ করে ১৬ থেকে ২১ বছর বয়সী তরুণদের মধ্যে অর্ধেকই (৪৬%) এমন এক পৃথিবীতে থাকতে চায়, যেখানে ইন্টারনেটই নেই! খবরটি প্রকাশ করেছে দ্য গার্ডিয়ান।

জরিপের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো:

প্রতি চার তরুণের একজন প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটায়। ৪২% তরুণ অনলাইনে কী করছে, তা তাদের পরিবার থেকে গোপন রাখে।

৪২% বয়স গোপন করেছে, ৪০% ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছে, আর ২৭% পুরো ভিন্ন পরিচয়ে নিজেকে উপস্থাপন করেছে।

রাত ১০টার পর ডিজিটাল কারফিউ চালুর পক্ষে মত দিয়েছে ৫০% তরুণ। রাতের বেলায় সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার চিন্তা করছে যুক্তরাজ্য সরকার

জরিপের ফলাফলের প্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্যের প্রযুক্তি সচিব পিটার কাইল জানিয়েছেন, টিকটক, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন অ্যাপ রাতে ব্যবহারে বাধা দেওয়ার বিষয়টি সরকার ভাবছে।

তবে শিশু সুরক্ষা সংস্থা NSPCC বলছে, শুধু রাতের ডিজিটাল কারফিউ যথেষ্ট নয়। এনএসপিসির অনলাইন নীতিমালা ব্যবস্থাপক রানি গোভেন্দর বলেন, "শিশুরা দিনের বেলাতেও অনলাইন ঝুঁকির মধ্যে থাকে। আসক্তিকর অ্যালগরিদম থেকে তাদের বাঁচাতে দরকার নিরাপদ ডিজাইন এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীলতা।"

মহামারির সময় অনলাইন ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার পর ৭৫% তরুণ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় কাটায় ইন্টারনেটে। ৬৮% মনে করে অতিরিক্ত অনলাইন সময় তাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

মলি রোজ ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অ্যান্ডি বারোওস বলেন, "সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগরিদম এমন সব কনটেন্ট সামনে আনে, যা অনেক সময় অজান্তেই মানসিকভাবে বিপর্যয় ডেকে আনে। এটি আত্মবিশ্বাস, শরীরী ইমেজ, এমনকি আত্মহত্যার প্রবণতাও বাড়াতে পারে।"

প্রযুক্তি যদি উপকার করতে পারে, তবে তা ক্ষতিও করতে পারে, এ সত্যকে সামনে এনে তরুণদের জন্য এখনই দরকার ভারসাম্যপূর্ণ ডিজিটাল জীবনের সচেতনতা ও সুরক্ষা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর