শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

দিল্লি

ফের করোনার প্রকোপ, এক সপ্তাহেই শনাক্ত ৯৯ জন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৬ মে ২০২৫, ১৫:৪০

২০২০ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে লাখো মানুষের মৃত্যু ঘটার পর আবারও ভারতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। রাজধানী দিল্লিতে নতুন করে ১০০-র বেশি করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন।

ভারতের কেন্দ্রীয় কোভিড-১৯ ড্যাশবোর্ড অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ১,০০৯ জন। এর মধ্যে শুধুমাত্র দিল্লিতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১০৪ জন, যার মধ্যে ৯৯ জনই গত এক সপ্তাহে শনাক্ত হয়েছেন।

তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি বলেন, হাসপাতালগুলো যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে। এই আক্রান্তদের বেশিরভাগই প্রাইভেট ল্যাব থেকে শনাক্ত হয়েছে এবং নতুন ধরনটি সাধারণ ফ্লু-জাতীয় উপসর্গ সৃষ্টি করছে।

বর্তমানে করোনার সর্বোচ্চ প্রকোপ দেখা যাচ্ছে কেরালায়, সেখানে মোট আক্রান্ত ৪৩০ জন। এরপর রয়েছে মহারাষ্ট্র, যেখানে ২০৯ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে দিল্লি। গুজরাটে আক্রান্ত ৮৩ জন, কর্নাটকে ৪৭ জন, উত্তরপ্রদেশে ১৫ জন এবং পশ্চিমবঙ্গে ১২ জন।

এছাড়া মহারাষ্ট্রে করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, কেরালায় ২ জন এবং কর্নাটকে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, বিহার, হিমাচল প্রদেশ এবং জম্মু ও কাশ্মীরে কোনো সক্রিয় করোনা রোগী নেই।

এর আগে ভারতে সব বয়সী মানুষের জন্য ফ্রি ও দ্রুতগতির টিকাদান কার্যক্রম চালানো হয়েছিল, যার ফলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসে এবং কঠোর বিধিনিষেধ থেকেও মানুষ মুক্তি পায়। তবে সাম্প্রতিক সংক্রমণ পরিস্থিতি নতুন করে নজরদারি এবং সচেতনতা বাড়ানোর বার্তা দিচ্ছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর