শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

মাত্র ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভারতকে পাকিস্তানের কাছে বিক্রি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ মে ২০২৫, ১৬:৩৮

ভারতের গুজরাটে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ভারতীয় বিমান বাহিনী (আইএএফ) এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানি এজেন্টের কাছে পাচারের অভিযোগে। শনিবার এ তথ্য জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

গ্রেফতারকৃত সাহদেব সিং গোহিল কচ্ছ জেলার বাসিন্দা এবং তিনি একজন স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে কাজ করতেন বলে জানান গুজরাট অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াডের (এটিএস) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কে সিদ্ধার্থ।

২৮ বছর বয়সী গোহিল ২০২৩ সালে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এক মহিলার সঙ্গে যোগাযোগে আসেন, যিনি নিজেকে “আদিতি ভরদ্বাজ” নামে পরিচয় দেন। এরপর তিনি আইএএফ ও বিএসএফ-এর নবনির্মিত ও নির্মাণাধীন স্থাপনাগুলোর ছবি ও ভিডিও ওই নারীকে পাঠান বলে জানান সিদ্ধার্থ।

তিনি বলেন, “আমাদের কাছে তথ্য ছিল যে তিনি পাকিস্তানি এক এজেন্টের কাছে বিএসএফ ও আইএএফ সংক্রান্ত তথ্য পাচার করছিলেন।”

পহেলা মে গোহিলকে প্রাথমিক তদন্তের জন্য ডাকা হয়। তখনই জানা যায়, ওই পাকিস্তানি এজেন্ট তাকে বিএসএফ ও আইএএফ-এর বিভিন্ন সাইটের ছবি ও ভিডিও পাঠাতে বলেন।

কে সিদ্ধার্থ জানান, ২০২৫ সালের শুরুতে গোহিল নিজের আধার কার্ড ব্যবহার করে একটি সিম কার্ড ক্রয় করেন এবং সেটির মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ চালু করেন আদিতি ভরদ্বাজের জন্য। ওই নম্বরেই বিএসএফ ও আইএএফ সংক্রান্ত সব ছবি ও ভিডিও পাঠানো হয়।

ফরেনসিক বিশ্লেষণে জানা যায়, যেসব নম্বরের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো হয়েছে, সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ ছিল পাকিস্তান থেকে। গোহিলের কাছে একটি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নগদ ৪০,০০০ টাকা পৌঁছে দেয় বলেও জানান সিদ্ধার্থ।

জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এমন অবস্থায় গোহিলের মতো আরও অন্তত ১০ জনকে গত কয়েক সপ্তাহে গ্রেফতার করা হয়েছে— যাদের মধ্যে আছেন একজন ইউটিউবার, এক ব্যবসায়ী ও একজন নিরাপত্তারক্ষী।

এই গ্রেফতারগুলো ভারতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শঙ্কা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর