বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

শিশুকে প্রথম ৬ মাস শুধু বুকের দু্ধ কেন খাওয়াবেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ মে ২০২৫, ১৪:৫৩

শিশুর জন্মের পর প্রথম ৬ মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো শিশুর স্বাস্থ্য ও বিকাশের জন্য অপরিহার্য বলে জানিয়েছেন শিশু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এই সময় এক ফোঁটা পানিও না দিয়ে শুধু বুকের দুধেই সন্তানের সকল পুষ্টি, পানি ও ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক মা বুকের দুধ খাওয়াতে আগ্রহী হলেও ভুল ধারণা ও অজ্ঞতার কারণে মাঝেমধ্যে ফিডারের দুধ বা অন্যান্য খাবার খাওয়ান। শিশুর কান্নাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে অনেকেই মনে করেন যে শিশু যথেষ্ট দুধ পাচ্ছে না, অথচ কান্নার পেছনে থাকতে পারে গ্যাস, ইনফ্যান্টাইল কোলিক বা অন্যান্য সাধারণ কারণ।

এই পরিস্থিতিতে অনেকেই এক-দুবার ফিডারের দুধ দিলে শিশু স্বল্প সময়ের জন্য শান্ত হয়ে যায়, যা পরিবারকে বিভ্রান্ত করে। তবে বারবার এমনটা করলে শিশু “নিপল কনফিউশন”-এ ভুগতে পারে- মায়ের স্তনের নিপল ও ফিডারের নিপলের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পেরে ধীরে ধীরে ফিডারের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

ফলে দেখা যায়, শিশু মায়ের বুকের দুধ খেতে চায় না এবং একসময় পুরোপুরি বাইরের দুধের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এতে মায়ের দুধও কমতে থাকে, যা মা ও শিশুর উভয়ের জন্য ক্ষতিকর।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি শিশু দিনে ছয় থেকে আটবার প্রস্রাব করে, স্বাভাবিক হারে ওজন বাড়ে এবং ঘুম ঠিকমতো হয়, তাহলে বোঝা যায় সে পর্যাপ্ত দুধ পাচ্ছে। এছাড়া, শিশুর কান্না নিয়ে সন্দেহ থাকলে বা দুধ খাওয়ানোর টেকনিকে সমস্যা হলে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

পরিশেষে তারা জোর দিয়ে বলেন, সামান্য ভুলে যেন শিশুর প্রাকৃতিক পুষ্টির উৎস নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সচেতনতা ও সঠিক পরামর্শে মায়েরা সহজেই তাদের সন্তানকে প্রথম ৬ মাস শুধুমাত্র বুকের দুধ খাইয়ে সুস্থ রাখতে পারবেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর