বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

নেতাদের অভিযোগ

এনসিপিকে নির্বাচনবিরোধী বানাতে চক্রান্ত চলছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২২ মে ২০২৫, ১৫:৫১

নির্বাচন ও ছাত্র উপদেষ্টাদের নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) নির্বাচনবিরোধী হিসেবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। এনসিপির শীর্ষ নেতারা বলেছেন, সচেতনভাবে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে একটি মহল কাজ করছে।

গতকাল রাজধানীর অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন,
“প্রধান উপদেষ্টা ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের যে সময়সীমা দিয়েছেন, এনসিপি তা সমর্থন করে। তবে এর মধ্যে বিচার ও কাঠামোগত সংস্কার নিশ্চিত করার দাবিও আমাদের রয়েছে।”

এর আগে ১০ মে, এনসিপির ছাত্র উপদেষ্টা মাহফুজ আলমও বলেন, “নির্বাচন হবেই ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে।” তিনি একাধিকবার এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

তবুও, দুজন ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে রাস্তায় অবরোধ ও আন্দোলনকে "অগ্রহণযোগ্য ও অগণতান্ত্রিক" বলে অভিহিত করেছেন দলের নেতারা। তাদের মতে, যারা অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বর্তমান ইন্টারিম সরকারের অংশ, তাদের হঠাৎ পদত্যাগ চাওয়াটা রাজনৈতিক বিভাজন তৈরির অপপ্রয়াস।

নেতারা আরও অভিযোগ করেন, দেশের রাজনীতিতে আবারও সেনা হস্তক্ষেপে সমাধান খোঁজার মানসিকতা তৈরি হচ্ছে, যা একধরনের "সাব-কনশাস প্রবণতা"।
“আমরা সেনাবাহিনীকে সম্মান করি, তারা আমাদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য পাহারাদার। কিন্তু রাজনৈতিক সালিশ বা হস্তক্ষেপের সুযোগ দিয়ে আরেকটি ওয়ান-ইলেভেনের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া যায় না।”

বক্তারা মনে করেন, যাদের পাশে পেয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার মতো ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা থাকবে। তবে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে কোনো বড় রাজনৈতিক দলের নির্লিপ্ততা জনমনে হতাশা সৃষ্টি করছে।

"দ্রুত বিচার, কাঠামোগত সংস্কার এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ হওয়া এখন সময়ের দাবি," বলেন নেতারা। তারা সতর্ক করেন—বর্তমান সম্ভাবনাকে নষ্ট করে অস্থিরতা তৈরি করা হলে তা হবে একটি ঐতিহাসিক ব্যর্থতা।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর