বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

ইন্দোনেশিয়ায় সোনার খনিতে ভূমিধস, নিখোঁজ ১৯

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ মে ২০২৫, ১৫:১৬

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পাপুয়া অঞ্চলে ভারি বর্ষণের ফলে একটি সোনার খনিতে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে পশ্চিম পাপুয়া প্রদেশের আরফাক পাহাড়ে স্থানীয়দের পরিচালিত একটি ছোট আকারের খনিতে এই ধসের ঘটনা ঘটে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার (বিএনপিবি) মুখপাত্র আব্দুল মুহারি বলেন, “মুষলধারে বৃষ্টির ফলে খনিশ্রমিকদের ব্যবহৃত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন এবং কমপক্ষে চারজন আহত হন।” নিখোঁজদের সংখ্যা ১৯ জন বলেও তিনি জানান।

উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ প্রায় ৪০ জনের একটি দল। তাদের নেতৃত্বে কাজ করছেন স্থানীয় উদ্ধারকারী সংস্থার প্রধান ইয়েফরি সাবরুদ্দিন।

তিনি বলেন, “শনিবার উদ্ধারকারীরা যাত্রা শুরু করলেও দুর্গম পাহাড়ি পথ ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লাগে। ফলে রবিবার সকাল থেকে তারা অনুসন্ধান শুরু করেন।”

ভূমিধসে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়শই অবৈধ ও ছোট পরিসরের খনিতে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এসব খনির বেশিরভাগই প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় দুর্যোগ মোকাবেলা ও তদারকি কার্যক্রমে বেগ পেতে হয় প্রশাসনকে।

রয়টার্স আরও জানায়, গত বছর সেপ্টেম্বরে পশ্চিম সুমাত্রা প্রদেশে অবৈধ একটি সোনার খনিতে ধসে ১৫ জন প্রাণ হারান। এছাড়া গত বছরের জুলাইয়ে সুলাওয়েসি দ্বীপে আরেকটি খনি ধসে নিহত হন কমপক্ষে ২৩ জন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর