শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

জাপানে ১৮.৫ ঘণ্টা কাজ, কর্মসংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ মে ২০২৫, ১৫:২৬

জাপানে একজন অফিসকর্মীর ১৮.৫ ঘণ্টা কাজ করার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এতে দেশটির চাকরির পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

ইউটিউবে প্রকাশিত এই ভিডিওটির শিরোনাম ‘জীবনের এক দিন : কালো কম্পানিতে বেতনভোগী’। ইতিমধ্যেই এটি ১০ লাখের বেশি ভিউ পেয়েছে।

ভিডিওটিতে একজন কর্মচারীর এক দিনের কর্মজীবন তুলে ধরা হয়েছে, যা শুরু হয় সকাল ৭টা থেকে এবং শেষ হয় গভীর রাতে। অফিসে পৌঁছতে তার সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। দিনের মধ্যে মাত্র একটি ছোট কফি বিরতি ও মধ্যাহ্নভোজ ছাড়া আর কোনো বিশ্রাম নেই। তিনি রাত ৮টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত কাজ করেন এবং বাড়ি ফেরেন রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে।

খাবার শেষ করেন রাত ১১:৩০-এ এবং ঘুমাতে যান রাত ১:১৫-এ। ভিডিওটিতে কর্মীটি তার অফিসকে ‘কালো কম্পানি’ বলে আখ্যা দেন। জাপানি পরিভাষায় কালো কম্পানি বলতে এমন সংস্থাকে বোঝায়, যারা কর্মীদের দীর্ঘ সময় ধরে খাটায়, কম বেতন দেয় এবং খারাপ আচরণ করে। তিনি জানান, এসব প্রতিষ্ঠান নবীন কর্মীদের অভিজ্ঞতার অভাবকে কাজে লাগিয়ে চুপ করিয়ে রাখে।

চাকরি ছাড়তে চাইলেও কর্মীদের বিশ্বাসঘাতক বলা হয় এবং চাপ প্রয়োগ করা হয়।
অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী এই পরিস্থিতিকে অমানবিক বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ লিখেছেন, ‘মানুষের কখনোই এভাবে বাঁচার কথা নয়।’ অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘কম্পানি হয়তো রাতের কাজ মনে রাখবে না, কিন্তু আপনার পরিবার মনে রাখবে।’

এই ভিডিও জাপানের দীর্ঘ কাজের সময়, কর্মক্ষেত্রের শোষণ ও কর্মজীবনের ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

কেউ কেউ বলেছেন, এই বাস্তবতা জাপানে কম জন্মহার ও মানসিক চাপ বৃদ্ধির একটি বড় কারণ হতে পারে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর