শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

হাইপারটেনশন নিয়ে অবহেলা নয়

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৭ মে ২০২৫, ১৪:৪৬

আজ ১৭ মে, বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য, ‘সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপুন, নিয়ন্ত্রণে রাখুন ও দীর্ঘজীবী হোন’। এর তথ্য উপাত্ত জেনে সচেতনতা তৈরি দরকার সবার।

হাইপারটেনশন কী:

যদি কারো ধমনীর রক্তচাপ সবসময় ১৪০/৯০ মি. মি পারদ এর বেশি থাকে তাহলে সেই ব্যক্তির হাইপারটেশন আছে বলে গণ্য করা হয়।

রক্তচাপ মাপার সঠিক নিয়ম:

১. রক্তচাপ মাপার ৩০ মিনিট আগে থেকে কিছু খাওয়া বা পান করা যাবে না।
২. প্রস্রাবের চাপ থাকলে অব্যশই প্রস্রাব করার পর রক্তচাপ মাপতে হবে।

৩. চেয়ারের পেছন দিকে হেলান দিয়ে ৫ মিনিট বসার পর রক্তচাপ মাপতে হবে।

৪. রক্তচাপ মাপার সময় দুই পা মেঝেতে রেখে বসতে হবে।

৫. হাত টেবিলের উপর রাখতে হবে যাতে করে বাহু বুক বরাবর থাকে।

৬. রক্তচাপ মাপার মেশিনের CUFF (কাফ) টি উন্মুক্ত বাহুতে (অর্থাৎ কোন কাপড়ের উপর নয়) হালকাভাবে বাঁধতে হবে।

৭. রক্তচাপ মাপার সময় কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপ এর লক্ষণ:

সকল হাইপারটেনশন রোগীদের লক্ষণ থাকে না এবং হাইপারটেনশনের নির্দিষ্ট কোনো লক্ষণও নেই। তবে সাধারণত নিচের লক্ষণগুলো দেখা যায়:

১. মাথা ঘুরানো ও মাথা ব্যথা।
২. ঘাড় ব্যথা
৩. অস্থির লাগা
৪. বমি বমি ভাব।
৫. ঘুমের সমস্যা।

যে সকল রোগীদের কোনো লক্ষণ থাকে না তাদের উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় ধরা পড়ে না এবং তারা কোনো ওষুধও গ্রহণ করে না। এরা অনেক সময় জরুরি অবস্থা যেমন: স্ট্রোক, হার্ট-অ্যাটাক, হার্টফেল অবস্থায় হাসপাতালে আসেন এবং অনেক সময় বাঁচানো সম্ভব হয় না। তাই হাইপারটেনশনকে নিরব ঘাতক বলা হয়।

করণীয়:

১. আলাদা লবণ খাওয়া কমাতে হবে, রান্নায়ও কম লবণ দিতে হবে।
২. ধূমপান পরিহার করতে হবে।
৩. চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করে শাকসবজি ফল বেশি করে খেতে হবে।
৪. ব্যয়াম ,শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে অথবা প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটতে হবে।
৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, বিশেষ করে মেদভুঁড়ি যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৬. চিন্তা মুক্ত থাকার অভ্যস করতে হবে।
৭. নিয়মিত ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে।

হাইপারটেনশনের ওষুধ:

উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়লে ফার্মেসি থেকে নিয়ে যেকোনো প্রেশারের ওষুধ খাওয়া ঠিক না। বাজারে অনেক ধরণের ওষুধ পাওয়া যায় কিন্তু শরীরে অন্য কোনো রোগ থাকা সাপেক্ষে প্রত্যেক রোগীর জন্য কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ রয়েছে। রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি তার শরীরের সাথে মানানসই ওষুধ সেবন করা উচিত। ভয়োপেটিন, হার্ট বা কিডনির রোগ থাকলে সেই ওষুধগুলোও নিয়মিত সেবন করতে হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর