বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

অ্যাপলের চিপ তৈরিতে ভারতে ৪৩৫ মিলিয়ন ডলারের কারখানা স্থাপন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৫ মে ২০২৫, ১৫:৩৫

ভারতে অ্যাপলের চিপ উৎপাদন বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ফক্সকন। দেশটির আইটি জায়ান্ট এইচসিএল গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে একটি সেমিকন্ডাক্টর কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি। প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কোটি রুপি (৪৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ব্যয়ে কারখানাটি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে ভারতের মন্ত্রিসভা।

উত্তর প্রদেশের জেওয়ার বিমানবন্দরের কাছে স্থাপন করা হবে এ কারখানা। ২০২৭ সাল নাগাদ চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুরুতে এটি একটি ‘ওএসএটি’ (আউটসোর্সড সেমিকনডাক্টর অ্যাসেম্বলি অ্যান্ড টেস্ট) কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। অর্থাৎ, প্রথমে এখানে চিপ তৈরি করা না হলেও বাইরের দেশে তৈরি চিপের প্যাকেজিং ও টেস্টিং করা হবে।

গতকাল বুধবার নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ভবিষ্যতে এই কারখানায় মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, অটোমোবাইল ও কম্পিউটারের জন্য ডিসপ্লে ড্রাইভার চিপ তৈরি করা হবে। এই চিপগুলো মূলত স্ক্রিনে ছবি, লেখা ও ভিডিও দেখানোর কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

প্রকল্পটির সংশ্লিষ্ট একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছে, ‘ভারতে এখনো উন্নতমানের চিপ তৈরির পরিকাঠামো গড়ে না ওঠায়, প্রকল্পের প্রাথমিক ধাপে চিপ তৈরি করা হবে না।’

এ প্রকল্প ভারতের নিজস্ব চিপ তৈরি করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বৈষ্ণব। তিনি আরও বলেন, ‘এই ইউনিট চালু হলে ডিসপ্লে প্যানেল তৈরির কাজও ভারতে আসবে।’ তিনি আরও জানান, কারখানাটির মাসে ২০ হাজার ওয়েফার প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা থাকবে এবং প্রতি মাসে ৩ কোটি ৬০ লাখ ইউনিট উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

তবে এই প্রকল্প শুধু একটি কারখানা নির্মাণ নয়। এটি অ্যাপলের জন্য চীনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভারতে উৎপাদন বর্ধনের আরেকটি পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। এই ঘোষণা এসেছে ঠিক সেই সময়, যখন অ্যাপল প্রধান নির্বাহী টিম কুক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য অনিশ্চয়তার মোকাবিলায় ভারতেই সংযোজন ও উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে।

এ ছাড়া টিম কুক ইঙ্গিত দেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হলে মার্কিন-চীন শুল্ক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে অ্যাপলকে পণ্যের দাম বাড়াতে নাও হতে পারে। যদিও কোম্পানিটি মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে বলেও জানা গেছে।

এরই মধ্যে অ্যাপল ভারতে আইফোন সংযোজনের পরিমাণ আগের চেয়ে দ্বিগুণ হয়েছে, যেগুলোর বড় একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। কোম্পানিটি এখন ভারতে উৎপাদনের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। এবার লক্ষ্য হলো- এয়ারপডসসহ অন্যান্য ডিভাইস ভারতে তৈরি করা।

এই যৌথ উদ্যোগে ফক্সকনকে ভারত সরকার কী ধরনের প্রণোদনা দেবে, তা স্পষ্টভাবে জানাননি মন্ত্রী। তবে রাষ্ট্র পরিচালিত সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্পের অধীনে কোনো কোম্পানি এ ধরনের স্থাপনা গড়তে চাইলে, তাদের মূলধনী ব্যয়ের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে ভারত সরকার।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর