বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

‘মার বেটা আমাকে, মার’ মেজাজ হারালেন ঢাবি ভিসি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ মে ২০২৫, ১৫:৪৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার প্রতিবাদে গতকাল মধ্যরাতে বিক্ষোভে অংশ নেন ছাত্রদল কর্মীরা। তারা প্রশাসনের গাফিলতি ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানের পদত্যাগ দাবি করেন।

গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে স্যার এ এফ রহমান হলের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্যকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করে বিক্ষোভে অংশ নেন। রাত ৩টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভকারীদের সামনে এসে কথা বলার সময় উত্তেজনা তৈরি হলে ঢাবি উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ তাদের উদ্দেশে বলেন, “তোমরা যদি মনে করো, তুমি আর আমি আলাদা পক্ষ, আমি এখানে দাঁড়ায়ে আছি; আমাকে মার বেটা, মার।” এরপর তিনি বলেন, “চিৎকার কইরো না।” এ সময় একজন বলেন, “সিনেমা কইরেন না, স্যার, সিনেমা কইরেন না।” উপাচার্যের এমন কথায় মুহূর্তের জন্য কিছুটা স্তব্ধতা তৈরি হয়, যা পরক্ষণেই কেটে যায়।

বিক্ষোভকারীরা উপাচার্যের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সময় বলেন, “বাংলা একাডেমির সামনে সাম্যকে হত্যার পর খুনিরা কীভাবে পালিয়ে গেল? আপনার প্রক্টরিয়াল টিম তো দোয়েল চত্বরে আছে। তাহলে তারা কেন খুনিদের ধরতে পারেন না?” এ সময় তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে উপাচার্যকে সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি দেখার কথা বলেন।

উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ বলেন, “তোমাদের পদক্ষেপগুলো বলো।” একজন শিক্ষার্থী বলেন, “আপনি পদত্যাগ করেন।” উপাচার্যকে “আপনি আমাদেরই লোক বলা” শিক্ষার্থী তখন ক্ষোভ প্রকাশ করেন, “আপনারা যদি আমাদেরই লোক হন; তাহলে সাম্যর ঘটনার সময় আমি প্রক্টরকে ফোন দিছি; তিনি ফোন ধরেন নাই- কেন?”

উদ্যানের নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চবাচ্যের মধ্যে একজন স্লোগান দিয়ে ওঠেন, “ব্যর্থ ভিসির বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন।” এরপর শিক্ষার্থীদের কথামতো তারা উপাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে উদ্যানের দিকে যান। তখনো হইহট্টগোল চলছিলই।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর