বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

বাবার হত্যায় নতুন মোড় অভিযোগ মেয়ের দিকেই

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১২ মে ২০২৫, ১১:৩২

ঢাকার সাভারে বাবা আব্দুস সাত্তারকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে গ্রেপ্তার হওয়া মেয়ে জান্নাতুল জাহান শিফার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য উঠে এসেছে তদন্তে। বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “বিচারহীনতার প্রতিশোধ” বলে নিজের কৃতকর্মকে ন্যায্যতা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, পুলিশ বলছে—ঘটনার পেছনে রয়েছে আরো জটিল ও আপত্তিকর বাস্তবতা।

সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর কোভিদ বলেন, “শিফাকে প্রাথমিকভাবে মাদকাসক্ত মনে হয়েছে। যদিও এখনো মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়নি। এছাড়া তার সঙ্গে থাকা দুই নারীর বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে।”

পুলিশ আরও জানায়, শিফা ও তার সাবলেট থাকা দুই সঙ্গীর বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সমকামিতার অভিযোগ রয়েছে, এবং এসব কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ায় বাবা আব্দুস সাত্তারকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জানা গেছে, শিফার মা ছিলেন আব্দুস সাত্তারের তৃতীয় স্ত্রী। পাঁচ বছর বয়সে মাতৃহীন শিফা তার বাবার সাথেই বেড়ে ওঠেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে সাত্তার বিভিন্ন সময়ে মেয়েকে যৌন নির্যাতন করতেন, যা সর্বশেষ ২০২৩ সালে নাটোর আদালতে একটি ধর্ষণ মামলার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৭ মে রাতে শিফা বাবাকে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ভাত খাওয়ান। ভোররাতে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাত্তারকে হত্যা করেন। এরপর ৯ মে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন শিফা।

সাভার থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার উপপরিদর্শক বিশ্বকুমার দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটির আদালত শিফার জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিফাকে “নারী অধিকারের প্রতীক” হিসেবে উল্লেখ করে অনেকেই প্রশংসা করেছিলেন। তবে পুলিশের তদন্তে যে তথ্য উঠে এসেছে, তা ঘটনাটিকে ঘিরে জনমতের চেহারা বদলে দিচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শিফার বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণের অভিযোগের পাশাপাশি তার জীবনযাপন, পরিবেশ ও উদ্দেশ্য নিয়েও বিস্তারিত তদন্ত চলছে। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর