শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

অনলাইন জুয়ায় সর্বস্ব হারিয়ে যুবকের দুধ দিয়ে তওবার গোসল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ মে ২০২৫, ১৩:০৪

অনলাইনভিত্তিক জুয়ার ফাঁদে পড়ে এক সময়ের স্বচ্ছল জীবন হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন কুষ্টিয়ার কুমারখালীর যুবক সাগর হোসেন। সর্বনাশা জুয়া থেকে ফিরে এসে জনসম্মুখে তওবা জানানোর অংশ হিসেবে দুধ দিয়ে গোসল করে অনুশোচনার নজির সৃষ্টি করেছেন তিনি। শুক্রবার (৯ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের গোলাবাড়ি বাজার এলাকায় ঘটে এ ঘটনা। মুহূর্তেই তার “তওবার গোসল” ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

সাগর হোসেন পান্টি এলাকার মো. চাঁদ আলীর ছেলে। মাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেও তিনি গড়ে তুলেছিলেন মোটরসাইকেলের শোরুম ও আধাপাকা বিলাসবহুল বাড়ি। মাসে ৪০-৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় হতো তার। কিন্তু ‘ওয়ান এক্স বেট’ ও ‘গ্লোরি ক্যাসিনো’ নামের মোবাইলভিত্তিক জুয়া খেলতে গিয়ে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সব হারান।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, উৎসুক জনতার সামনে মাথায় দুধ ঢালছেন স্থানীয়রা। সাগর বলেন, “জুয়া খেলতে গিয়ে সব হারিয়েছি। আমার মোটরসাইকেলের শোরুম ছিল, সখের বাড়ি করেছিলাম। আজ কিছুই নেই। আপনারা শিক্ষা নিন। কেউ যেন এই পথ না নেয়।”

তিনি জানান, বাড়ি ২১ লাখ টাকায়, শোরুম ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন; তবুও এখনো সাড়ে তিন লাখ টাকা দেনায় আছেন। এক পর্যায়ে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন, তবে তিন মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে সরে আসেন সেই সিদ্ধান্ত থেকে।

তার স্ত্রী কনা খাতুন বলেন, “জুয়ায় পড়ে সব হারিয়েছি। সরকার যদি এসব অনলাইন জুয়া বন্ধে ব্যবস্থা না নেয়, আরও অনেক পরিবার ধ্বংস হবে।”

স্থানীয় দোকানি রাসেল হোসেন বলেন, “সাগর একসময় গাড়িতে চলতেন। আজ তিনি নিঃস্ব। তাই আমরা ১০ কেজি দুধ দিয়ে তার তওবার গোসল করিয়েছি।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম জানান, অনলাইন জুয়া সংক্রান্ত বিষয়ে এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর