শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

নারীর দিকে তাকানোয় সংঘর্ষ, ইউএনও-ওসিসহ আহত ২০

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১ মে ২০২৫, ১৩:১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের চানমণি পাড়া গ্রামে বুধবার রাতে দুইদল গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ইউএনও এবং ওসিসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সংঘর্ষের কারণ নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্র জানায়, নারীর দিকে তাকানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ হয়। পুলিশ জানায়, মোবাইল ফোনের চার্জার কেনা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যায় চানমনি পাড়া গ্রামের মৃত হেলাল মিয়ার স্ত্রী হালেমা বেগম তার ছেলে সাইফুল ইসলামকে নিয়ে উপজেলার হালুয়াপাড়া গ্রাম দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। এ সময় মোগলটুলা গ্রামের মহব্বত আলীর ছেলে তৌহিদুল ইসলাম ওই নারীর দিকে তাকায়। তবে হালেমা বিষয়টি ভালোভাবে না নিয়ে তৌহিদুল এর সঙ্গে তর্কে জড়ায়। এক পর্যায়ে হালেমার ছেলে সাইফুল ইসলাম এগিয়ে গেলে তৌহিদুলের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়।

এ নিয়ে রাতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোশাররফ হোসেন ও সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল হাসানসহ ২০ জন আহত হন।

সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তপন সরকার অবশ্য জানান, মাস দুয়েক আগে মোবাইল ফোনের চার্জার কেনা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় চানমনি পাড়া ও মোগলটুলা গ্রামের লোকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার সন্ধ্যায় তারা ফের সংঘর্ষে জড়ায়।

পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর থেকে ওই গ্রামের লোকজন গা ঢাকা দিয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর