শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

হাওরে হাওরে পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ এপ্রিল ২০২৫, ১৫:২০

মৌলভীবাজারে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি, কাউয়া দিঘী, হাইল হাওরসহ ছোট বড় ৮টি হাওরে পাকা ধান কাটার ধুম পড়েছে। হাওরের বিস্তীর্ণ মাঠ এখন পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত। কৃষক-কৃষাণীরা পাকা ধান ঘরে তুলতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে। একদিকে কৃষকরা মাঠ থেকে পাকা ধান এনে মজুদ করছেন। অপরদিকে, কৃষাণীরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান থেকে ময়লা পরিষ্কার করে গোলায় তুলছেন।

পয়লা বৈশাখ থেকে হাওরগুলোতে ধান কাটা শুরু হয়। আধুনিক কৃষি সরঞ্জাম দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে গোলায় ধান তুলতে পেরে কৃষকের মুখে এখন হাসির ঝিলিক।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) পর্যন্ত জেলায় ৭৫ ভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে, যার পরিমাণ ২০ হাজার ৪৮৬ হেক্টর। এবার জেলায় ৮টি হাওরে ২৭ হাজার ৩১৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড ধান ৫ হাজার ৪৫২ হেক্টর, উচ্চ ফলনশীল ২১ হাজার ৮০৮ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ৫৫ হেক্টর।

কাউয়াদিঘী হাওর পাড়ে কৃষক খায়রুল বলেন, আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকূলে রয়েছে। এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় বোরো ধানের ফসল ভালো হয়েছে। মৌলভীবাজারের আকাশে ঝলমলে রোদ থাকায় দ্রুত ধান শুকিয়ে গোলায় তুলতে পারছেন।

কৃষক মিজান মিয়া বলেন, হাওরে বোরো ধান আবাদ করতে জমিতে তেমন চাষ লাগে না। হাওর থেকে পানি নেমে গেলে চারা লাগালে সোনালী ফসলে ভরে যায় মাঠ। এবার আকাশে বৃষ্টি না থাকায় সুন্দরভাবে ধান গোলায় উঠানো যাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জালাল উদ্দীন বলেন, এবার সময়মতো বৃষ্টি ও রোদ থাকায় এ জেলায় বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলন হওয়ায় হাওরের কৃষকরা খুশি। এ বছর হাওর থেকে হাওরের উপরিভাগে বোরো আবাদ বেশি হয়েছে। এখন পর্যন্ত হাওরের নিচ দিকে প্রায় ৮০ ভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর