বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ এপ্রিল ২০২৫, ১২:২৭

সিলেটের বিশ্বনাথে ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। তার নাম সেলিম মিয়া (৪২)। তিনি ওসমানীনগর উপজেলার সৈয়দ মান্দারুকা গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে।

আজ শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে তাকে পাঠানো হয় সিলেট আদালতে। এর আগের দিন রাতে ভিকটিমের পিতা মামলা দেয়ার পর নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত বুধবার (১৬ এপ্রিল) উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের মান্দারুকা গ্রামে ধর্ষণের ওই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ভিকটিমের পরিবার সূত্র জানায়, ধর্ষিতা ছাত্রী উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী। গত রমজানে দারুল ক্বিরাত শিক্ষা কেন্দ্রে কোরআন শিক্ষা নিতে স্থানীয় একটি মসজিদে ভর্তি হয় সে। ওই শিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক ছিলেন ক্বারী সেলিম মিয়া।

সে সুবাদে তার সাথে মেয়েটির পরিচয়। ঘটনার দিন মেয়েটি নিজ বাড়ি থেকে মাদরাসায় যাবার পথে, তাকে জোরপূর্বক তুলে নেন অভিযুক্ত শিক্ষক। সিলেট শহরের একটি বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেন তাকে। পরে পরিবারের সদস্যদেও বিষয়টি জানায় ভিকটিম। জানাজানি হবার পর টাকায় ঘটনাটি রফাদফার চেষ্টা করেন তিনি। পরদিন রাতে থানায় এসে মামলা (নাম্বার-৬) দেন ভিকটিমের পিতা।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’কে বলেন, ‘মেয়েটির পিতা থানায় এলে আমরা দ্রুত মামলা নেই। তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর