বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

এক জেলায় ৯৭৯টি বাঙ্কার ধ্বংস করল পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৫ এপ্রিল ২০২৫, ১৬:৪৮

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুররম জেলার বিভিন্ন এলাকায় গত দু’মাসে ৯৭৯টি বাঙ্কার ধ্বংস করেছে সেনা-পুলিশ যৌথ বাহিনী।

খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশটি উপজাতি অধ্যুষিত। বিভিন্ন উপজাতি ও গোত্রের মধ্যে সংঘাত-সহিংসতাও ঘটে নিয়মিতই। গোত্র ও উপজাতিগুলোর মধ্যে সংঘাতের সময় ধ্বংস হওয়া এই বাঙ্কারগুলো দূর্গ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। পাকিস্তানের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানও (টিটিপি) তাদের সাংগঠনিক ও অপারেশেনাল কাজে ব্যবহার করত এসব বাঙ্কার।

ধ্বংস হওয়া এসব বাঙ্কার থেকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে।

উপজাতি ও গোত্রগুলোর মধ্যকার সংঘাত-সহিংসতা নিরসনে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি খাইবার পাখতুনখোয়ার উপজাতি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে আসে পাকিস্তানের সরকার। সেই চুক্তির নাম কোহাট পিস এগ্রিমেন্ট।

পাকিস্তানের উপজাতি গোষ্ঠী ও গোত্রগুলোর ‘জিরগা’ নামের একটি স্থানীয় সরকার সংস্থাও রয়েছে। এই বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে রেষারেষি দমন এবং সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রের চর্চাকে এগিয়ে নিতে এই ‘জিরগা’ গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু খাইবার পাখতুনখোয়ার অধিকাংশ জেলায় বহু বছর ধরে ‘জিরগা’ কার্যত নিষ্ক্রিয়।

আর এদিকে প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় বাড়ছে গোত্রগুলোর মধ্যে সংঘাত। চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত আন্তঃউপজাতি ও আন্তঃগোত্র সংঘাতে খাইবার পাখতুনখোয়ার বিভিন্ন জেলায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৩০ জনেরও বেশি এবং আহত হয়েছেন আড়াই শতাধিক।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর