বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি

ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ এপ্রিল ২০২৫, ১৩:৩১

গাজায় ইসরাইলের চলমান গণহত্যার প্রেক্ষাপটে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক মুসলিম আলেম সংগঠন (আইইউএমএস) যে ফতোয়া দিয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদে নামার আহ্বান জানিয়েছে, তাকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ ও শরিয়ার নীতিমালার লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি শেইখ নজির আয়াদ।

আইইউএমএস-এর দেয়া ফতোয়ায় বলা হয়, প্রতিটি ‘সক্ষম মুসলমানের’ ওপর ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা ধর্মীয় দায়িত্ব এবং মুসলিম দেশগুলোর উচিত অবিলম্বে সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক হস্তক্ষেপ করে এই গণহত্যা বন্ধ করা। একইসঙ্গে ইসরাইলের ওপর পূর্ণ অবরোধ আরোপেরও আহ্বান জানানো হয়।

সংগঠনের মহাসচিব আলি আল-কারাদাগি বলেন, ‘গাজা যখন ধ্বংসের মুখে, তখন আরব ও মুসলিম সরকারগুলোর ব্যর্থতা ইসলামি আইনের দৃষ্টিতে নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের প্রতি একটি গুরুতর অপরাধ।’

তবে এই আহ্বানের কড়া সমালোচনা করেন শেইখ আয়াদ। মিডলইস্ট আইকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিষয়ে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা বেসরকারি সংগঠনের পক্ষ থেকে ফতোয়া দেওয়া শরিয়ার মূলনীতি ও উচ্চতর উদ্দেশ্যের পরিপন্থি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরনের পদক্ষেপ সমাজের নিরাপত্তা ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহমর্মিতা অবশ্যই তাদের প্রকৃত স্বার্থে হতে হবে, এমন কোনো বেপরোয়া কর্মসূচির অংশ নয়, যা আরও ধ্বংস ডেকে আনবে।’

গ্র্যান্ড মুফতি জোর দিয়ে বলেন, জিহাদের ঘোষণা দেওয়ার এখতিয়ার শুধুমাত্র বৈধ রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের। ‘একটি জাতির সামর্থ্য, রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা না করে জিহাদের ডাক দেওয়া নিঃসন্দেহে এক দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ।’

এদিকে কায়রোতে অবস্থিত সালাফি পণ্ডিত ইয়াসির বুরহামিও আইইউএমএস-এর ফতোয়ার বিরোধিতা করেছেন। তিনি মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে ১৯৭৯ সালের শান্তিচুক্তির কথা উল্লেখ করে এই ধরনের ফতোয়াকে অগ্রহণযোগ্য ও বাস্তবতাবিবর্জিত বলেছেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর