বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন তেলের খনি আবিষ্কার চীনের

সংগ্রাম ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ এপ্রিল ২০২৫, ১৫:৪২

দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন তেলের খনি আবিষ্কার চীনের, মজুত বিপুল দক্ষিণ চীন সাগরে একটি নতুন তেলের খনির সন্ধান পেয়েছে চীন।

সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান সংক্রান্ত চীনা সরকারি কোম্পানি দ্য চায়না ন্যাশনাল অফশোর অয়েল কর্পোরেশন (সিএনওওসি) খনিটি আবিষ্কার করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে চীনের সরকারি বার্তাসংস্থা সিনহুয়া।

নতুন এই খনিটির নাম দেওয়া হয়েছে হুইঝৌ ১৯-৬। খনিটিতে ১০ কোটি টনেরও বেশি তেল রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ গ্যাসও সেখানে রয়েছে, তবে তার পরিমাণ এখনও হিসেব করা হয়নি।

দক্ষিণ চীন সাগরে নিজেদের সীমানা নিয়ে ফিলিপাইন, জাপান ও সাগরের তীরবর্তী অন্যান্য প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ব্যাপক দ্বন্দ্ব রয়েছে চীনের; প্রতিবেশী দেশগুলোর অভিযোগ, চীন প্রতিনিয়ত অন্যান্য দেশের সমুদ্রসীমা দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তবে হুইঝৌ ১৯-৬-এর অবস্থান সাগরের কোনো বিতর্কিত স্থানে নয়। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের নিজস্ব ইকোনমিক জোনের মধ্যে পড়েছে খনিটি। এই অঞ্চল বা জোনের বিস্তৃতি ২০০ নটিক্যাল মাইল (১ নটিক্যাল মাইল=১ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার)।

সাগরপৃষ্ঠের ৩০০ ফুট গভীরে অবস্থিত হুইঝৌ ১৯-৬। খনিটির সবচেয়ে নিকটবর্তী স্থলভাগ চীনের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় বন্দর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র শেনজেন। শেনজেনের উপকূল থেকে খনিটির দূরত্ব ১৭০।

ইতোমধ্যে হুইঝৌ ১৯-৬ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে তেল ও গ্যাস উত্তোলনও শুরু হয়েছে। সিনহুয়া জানিয়েছে, বর্তমানে প্রতিদিন সেখান থেকে ৪১৩ ব্যারেল (১ ব্যারেল = ১৫৯ লিটার) তেল এবং ৬৮ হাজার ঘণফুট গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

সিনহুয়া জানিয়েছে, এ পর্যন্ত চীনের সাগর ও উপকূল অঞ্চলে যত তেলের খনি পাওয়া গেছে, সেগুলোর মধ্যে হুইঝৌ ১৯-৬ বৃহত্তম এবং আগেকার অন্যান্য খনিগুলোর তুলনায় এটির অবস্থান সাগরের সবচেয়ে গভীরে।

চীন বরাবরই জ্বালানি নিরাপত্তাকে খুব গুরুত্ব দেয়। বর্তমানে দেশটি বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি তেল আমদানিকারী দেশ। সেদিক বিবেচনায় হুইঝৌ ১৯-৬-এর আবিষ্কার চীনের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বেশ ইতিবাচক।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর