শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৫, ২১শে চৈত্র ১৪৩১ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বিমসটেক দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর আহ্বান
  • যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনা পণ্যের শুল্ক পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
  • নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর হবে রাজধানীর থানাগুলো
  • উপবৃত্তির টাকা দুর্নীতিবাজ শিক্ষকরা মেরে দিচ্ছেন
  • নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে সংস্কার প্রয়োজন
  • ঢাকার বাতাস আজ কতটা অস্বাস্থ্যকর?
  • মায়ানমার-থাইল্যান্ডের মতো দেশেও ভূমিকম্পের শঙ্কা, উচ্চ ঝুঁকিতে যেসব জেলা
  • চীনের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রিমিয়ারের সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠক
  • আরও সমৃদ্ধশালী হবে নতুন বাংলাদেশ
  • চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক শুক্রবার 

কিডনিতে পাথর কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেন

জীবনযাপন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৭ মার্চ ২০২৫, ১৭:৪৭

কিডনি আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যা রক্ত থেকে অতিরিক্ত পানি, খনিজ ও বর্জ্য পদার্থ প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়। তবে পর্যাপ্ত পরিমাণে সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, প্রোটিনযুক্ত খাবার, পর্যাপ্ত পানি না পান করা ও ফাইবারের অভাব কিডনিতে পাথর সৃষ্টি করতে পারে।

কিডনিতে পাথর কী

খনিজ ও লবণ দিয়ে তৈরি ছোট ছোট কঠিন বস্তু কিডনিতে জমে পাথর তৈরি করে। এসব পাথর ক্যালসিয়াম, অক্সালেট, ইউরিক এসিড বা ফসফেটের মতো উপাদান থেকে তৈরি হয়। পাথরটি কিডনি বা মূত্রনালিতে আটকে গেলে ব্যথা ও রক্তপাতের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে :

(ক) পানি কম পান করা
(খ) অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
(গ) উচ্চ ক্যালসিয়াম ও অক্সালেট গ্রহণ
(ঘ) পেটে বা পিঠে তীব্র ব্যথা হয়
(ঙ) বমি ও প্রস্রাবের সাথে রক্ত যেতে পারে

কিডনিতে পাথর থাকলে কী খাবেন

কিডনিতে পাথর থাকা রোগীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পর্যাপ্ত তরল খাবার খাওয়া, বিশেষ করে পানি ও তাজা ফলের রস যেমন লেবু ও ডাবের পানি।

লেবুর রসে সাইট্রিক এসিড থাকে, যা পাথর নরম করে এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়। এ ছাড়া ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি যেমন সবুজ শাকসবজি, ওটস। এগুলো শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে।

কী কী খাবেন না

অতিরিক্ত সোডিয়াম ও লবণ  অতিরিক্ত পরিমাণে লবণ কিডনির উপর চাপ সৃষ্টি করে। তাই প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ এসব খাবারে উচ্চ পরিমাণে সোডিয়াম থাকে।

ভাজা এবং অতিরিক্ত মশলাদার খাবার হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে এবং কিডনির রোগীকে আরো বেশি সমস্যায় ফেলতে পারে। অতিরিক্ত আমিষ জাতীয় খাবার কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করে। পালং শাক, চকোলেট ও বাদামের মতো খাবার অক্সালেট সমৃদ্ধ।

যা কিডনিতে পাথর তৈরি করতে সহায়ক হতে পারে। তাই এগুলো এড়িয়ে চলুন।

সঠিক পরিমাণে পুষ্টি নিশ্চিত করতে ও হাইড্রেটেড থাকতে প্রতিদিন ২.৫-৩ লিটার পানি পান করুন। সাইট্রেট সমৃদ্ধ ফল যেমন লেবু, কমলা, আঙুর, শাক-সবজি, গোটা শস্য ও উদ্ভিদভিত্তিক প্রোটিন যেমন মসুর ডাল এবং মটরশুটি খান। এ ছাড়া প্যাকেটজাত খাবার থেকে দূরে থাকুন এবং স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর