বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

মশার কয়েল স্বাস্থ্যের জন্য কতটুকু নিরাপদ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৬ মার্চ ২০২৫, ১৪:৫৫

মশা যেহেতু আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগ‌ তৈরি করে, তাই ছোট বড় সবারই। সুতরাং মশা থেকে বাঁচতে হলে মশাকে তাড়াতে হবে বা মশাকে মারতে হবে।

মশাকে মারার জন্য বা তাড়ানোর জন্য বিভিন্নরকম উপকরণ ব্যবহার করা হয়। তার মধ্যে মশার কয়েল অন্যতম, বিশেষ করে আমাদের দেশে এর প্রচলন অনেক বেশি। এখন, এটি মানুষের জন্য কতটুকু ক্ষতিকর সেই প্রশ্নের উত্তর হলো কয়েলের ধোঁয়া দিয়ে মশা মারা যায় বা তাড়ানোর যায়। এতে মশাঘটিত রোগ হয়না। কিন্তু এর যে ধোঁয়া এবং ক্যামিক্যালযুক্ত ধোঁয়া তা অবশ্যই মানুষের জন্য ক্ষতিকর।

ছোট-বড়, যাদেরই অ্যাজমা বা হাঁপানি আছে তারা এই ধোঁয়ার মধ্যে থাকলে তাদের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও ফুসফুসের শ্বাস প্রশ্বাস জনিত বিভিন্ন সমস্যা বেড়ে যায়। এটি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে।

মশা তাড়াতে বা মারতে বাজারে অন্যান্য যে ডিভাইসগুলো ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে কিছু আছে ইলেক্ট্রিক, এতে ধোঁয়া হয়না। এগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য কয়েলের তুলনাঊকম ক্ষতিকর। আর যদি এগুলোকে নিয়ম মেনে ব্যাবহার করা হয়, তাহলে এটি একটি ভালো উপায়।

মশার কয়েলের দাম কম, সহজলভ্য হওয়ায় আমরা স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা না ভেবেই এটি ব্যবহার করি। এর চেয়ে ভালো উপায় হলো, যদি মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করা যায় এবং ব্যক্তিগতভাবে হয় তাহলে এটি ভালো।

কারণ মশা তাড়ানোর আরো বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম উপায় আছে। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মিত তার খেয়াল রাখার মাধ্যমেই মশার উপদ্রব কমানো সম্ভব।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর