শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৫, ২১শে চৈত্র ১৪৩১ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • বিমসটেক দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর আহ্বান
  • যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনা পণ্যের শুল্ক পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
  • নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর হবে রাজধানীর থানাগুলো
  • উপবৃত্তির টাকা দুর্নীতিবাজ শিক্ষকরা মেরে দিচ্ছেন
  • নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে সংস্কার প্রয়োজন
  • ঢাকার বাতাস আজ কতটা অস্বাস্থ্যকর?
  • মায়ানমার-থাইল্যান্ডের মতো দেশেও ভূমিকম্পের শঙ্কা, উচ্চ ঝুঁকিতে যেসব জেলা
  • চীনের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রিমিয়ারের সঙ্গে ড. ইউনূসের বৈঠক
  • আরও সমৃদ্ধশালী হবে নতুন বাংলাদেশ
  • চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক শুক্রবার 

ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা চীনে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ মার্চ ২০২৫, ১৩:০১

ক্যানসারের চিকিৎসায় যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাওয়ার দাবি চীনের। ফুসফুসের ক্যানসার চিকিৎসায় বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলেছে দেশটির ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আকেসোর তৈরি নতুন এক ওষুধ ‘ইভোনেসিম্যাব’। এটি কার্যকারিতার দিক দিয়ে মার্কিন ওষুধ কিট্রুডাকেও পেছনে ফেলেছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।

একটা সময় ছিল ক্যানসার মানেই নিশ্চিত মৃত্যু। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গবেষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ক্যানসারের চিকিৎসায় অনেকটা সাফল্য পাওয়া গেছে। ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী সাফল্য পাওয়ার দাবি করেছেন চীনা গবেষকরা। দেশটির ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আকেসোর দাবি, তাদের তৈরি নতুন ওষুধ ‘ইভোনেসিম্যাব’ ফুসফুস ক্যানসারের চিকিৎসায় কিট্রুডাকে ছাড়িয়ে গেছে।

এটি আমাদের নতুন ওষুধ। বিশ্বজুড়ে বহু প্রতিষ্ঠান কিট্রুডার বিকল্প তৈরির চেষ্টা করেছে, কিন্তু সবাই ব্যর্থ হয়েছে। আমরাই প্রথম সফল হয়েছি।

বিশ্ব ফুসফুস ক্যানসার সম্মেলনের তথ্য অনুযায়ী, রোগীরা ইভোনেসিম্যাব সেবনের পর গড়ে ১১ মাসেরও বেশি সময় সুস্থ থাকতে পারছেন, যেখানে কিট্রুডার ক্ষেত্রে এই সময় ছিল মাত্র ৫ মাসের কিছু বেশি। মার্কিন কোম্পানির তৈরি কিট্রুডা এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার কোটি মার্কিন ডলার রাজস্ব অর্জন করেছে।

সান ইয়াত-সেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওয়াং শানের মতে,
এটা ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী আবিষ্কার। যদি ইভোনেসিম্যাব বাস্তবেই কিট্রুডার চেয়ে কার্যকর হয়, তবে বিশ্ববাজারে বড় পরিবর্তন আসবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, শক্তিশালী গবেষণা কাঠামো, কম খরচে উন্নত গবেষণা সুবিধা এবং রোগী সংখ্যা বেশি হওয়ায় দ্রুত নতুন ওষুধ উদ্ভাবনে এগিয়ে যাচ্ছে চীন। গবেষণা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক পরেই রয়েছে চীন। তবে এই ব্যবধান দ্রুত কমছে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর