শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

দুই জলাধার থেকে পানি ছাড়ছে ভারত, প্লাবনের শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:২২

ভারতের ২টি জলাধার থেকে পানি ছাড়া শুরু করেছে দেশটির বহুমুখী নদী উপত্যকা প্রকল্প দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন (ডিভিসি), এই ২টি জলাধার মিলিয়ে প্রায় দেড় লাখ কিউসেক পানি ছাড়া শুরু হয়েছে। এতে দেশটির একাধিক জেলা প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, আজ (১৭ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার সকালে মাইথন ও পাঞ্চেত নামক ২টি জলাধার মিলিয়ে মোট ১ লাখ ৪৯ হাজার কিউসেক জল ছাড়া শুরু হয়েছে। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) থেকেই পানি ছাড়া শুরু হলেও আজ পানির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। যার জেরে দক্ষিণবঙ্গের প্লাবন-পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত কয়েক দিনে নিম্নচাপের বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গা জলমগ্ন। এরই মধ্যে ঝাড়খণ্ডের বৃষ্টিরও প্রভাব পড়েছে বাংলায়। বিভিন্ন বাঁধ ও জলাধার থেকে পানি ছাড়া শুরু হয়েছে। বৃষ্টির কারণে ডিভিসির মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধারে চাপ বেড়েছে। এই ২টি জলাধার থেকে পানি ছাড়া হলে, তা দামোদর নদ হয়ে পৌঁছয় পশ্চিম বর্ধমানের দামোদর ব্যারেজে। পানির চাপ বাড়তে থাকলে সেখান থেকেও পানি ছাড়ার পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে বেশি মাত্রায় পানি ছাড়া হলে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা আছে। বিশেষ করে বর্ধমান, হাওড়া এবং হুগলির খানাকুল, আরামবাগসহ দামোদরের তীরবর্তী এলাকাগুলো জলমগ্ন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর