শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

ইউক্রেনকে রাশিয়ায় অনুপ্রবেশের যোগ্য জবাব দেওয়া হবে: হুঁশিয়ারি পুতিনের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৩ আগষ্ট ২০২৪, ১৪:৪৮

ইউক্রেন দক্ষিণ অঞ্চলে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে রাশিয়ার স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে এবং এর জন্য কিয়েভকে ‘উপযুক্ত জবাব’ দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

গত সপ্তাহে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ান সীমান্ত অতিক্রম করে কুরস্ক অঞ্চলে প্রবেশ করে। এটা ২০২২ সালে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর সবচেয়ে বড় সীমান্ত অতিক্রম।

সোমবার (১২ আগস্ট) রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কুরস্কে অতিরিক্ত বাহিনী ও সম্পদ মোতায়েন করা হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনীকে অবরোধ করে রাস্তাগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারি সাঁজোয়া যানবাহন দ্রুত এলাকায় পৌঁছানো হচ্ছে।

ইউক্রেনের সামরিক প্রধান ওলেক্সান্দ্র সিরস্কিই সোমবার জানিয়েছেন, কুরস্কের প্রায় ১,০০০ বর্গকিমি এলাকা ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে এই তথ্য শেয়ার করেছেন এবং রাতে তার ভাষণে জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় বাহিনী কুরস্কে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, যুদ্ধ এখন রাশিয়ায় ফিরে আসছে, যেমন মস্কো অন্যান্য দেশগুলিতে যুদ্ধ নিয়ে গিয়েছিল।

কুরস্কের গভর্নর আলেক্সেই স্মিরনভ পুতিনকে জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় বাহিনীর আক্রমণে ২৮টি বসতি হারানো হয়েছে এবং আক্রমণটি প্রায় ১২ কিমি গভীর এবং ৪০ কিমি প্রশস্ত। তিনি জানান, ১২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং এক লাখ ২১ হাজার মানুষ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। মোট এক লাখ ৮০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে, ইউক্রেনও রাশিয়ার পাল্টা আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিয়েভের বাইরে রাশিয়ার বিমান হামলায় দুইজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। এছাড়াও, সুমি অঞ্চল থেকে ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ঝাপোরিজিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আগুন নিয়ে মস্কো এবং কিয়েভ পরস্পরকে দোষারোপ করেছে। তবে উভয় পক্ষই জানিয়েছে, কোনো বাড়তি বিকিরণের লক্ষণ পাওয়া যায়নি। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি তার মিত্রদের কাছে পুনরায় ‘সম্পূর্ণ বিমান প্রতিরক্ষার’ আহ্বান জানিয়েছেন।

ইউক্রেনের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইগর রোমানেনকো বলেছেন, ইউক্রেনের দীর্ঘ ও কঠিন যুদ্ধের জন্য উন্নত অস্ত্র এবং গোলাবারুদের পাশাপাশি একটি বৃহত্তর জাতীয় মোবিলাইজেশন প্রয়োজন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর