বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

নতুন শিক্ষাক্রম বাতিলের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন

রাজশাহী প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
১০ আগষ্ট ২০২৪, ১৪:০২

নতুন শিক্ষাক্রম বাতিলের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন হয়েছে। আজ শনিবার (১০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আগের সৃজনশীল শিক্ষাব্যবস্থার চেয়ে নতুন চাপিয়ে দেওয়া কারিকুলাম শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে দিচ্ছে। একদিকে নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীরা বই পড়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। অন্যদিকে তারা বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসে আসক্ত হচ্ছে। মেধা যাচাই-বাছাইয়ে পরীক্ষাও নেই। মূল্যায়নপদ্ধতিও ভালো নয়। সাংকেতিক চিহ্ন ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ দিয়ে শিক্ষার্থীদের মেধাকে মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। এটি সরকার হুট করে চাপিয়ে দিয়েছে। তাঁদের কোনো পূর্বপ্রস্তুতিও ছিল না। এভাবে তাঁরা শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস হতে দিতে পারেন না। নতুন সরকারকে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে।

মানববন্ধনে অভিভাবক শায়লা আহমেদ বলেন, সঠিক মূল্যায়ন না থাকায় তাঁদের ছেলেমেয়েরা সেভাবে পড়াশোনায় উৎসাহিত হচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা আসলেই শিখছে না কিছু। যে শিক্ষাব্যবস্থা এখানে আনা হয়েছে, তা উন্নত দেশের। এ দেশের শ্রেণিকক্ষগুলোতে ৬০ থেকে ৯০ জন পর্যন্ত শিক্ষার্থী থাকে। একজন শিক্ষকের পক্ষে কিছু শেখানো কঠিন। দলীয় কাজগুলো সঠিকভাবে হচ্ছে না। শহরে যেটা তাঁদের ছেলেমেয়েরা পাচ্ছে, গ্রামের অবস্থা আরও করুণ। তাই ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হবে। যেহেতু সবকিছু সংস্কারের কথা শোনা যাচ্ছে, তাই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থাকে শিক্ষার্থীবান্ধব করে তুলতে হবে।

বর্তমানে যেসব বই আছে, সেগুলোতে পড়ার মতো কিছু নেই বলে অভিযোগ করেন সানজিদা সুলতানা নামের এক অভিভাবক। তিনি বলেন, এভাবে শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষার্থীদের ধ্বংস করা হচ্ছে। আগের সৃজনশীল পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হোক। নতুন সরকারের কাছে তাঁদের এ আহ্বান।

মানববন্ধনে আসা কয়েকজন শিক্ষার্থী বলে, তারা নতুন শিক্ষাক্রমের কিছুই বোঝে না। তাদের শিক্ষকেরাও বোঝেন না। তারা চায়, সবচেয়ে ভালো শিক্ষা কারিকুলাম। যেটা শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবার জন্য ভালো হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর