বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

পুতিন-কিম বন্ধুত্বে নাখোশ চীন!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জুন ২০২৪, ১৭:৩১

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বেশিরভাগ সময়ই রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ার নীতিতে সামঞ্জস্য লক্ষ্য করা যায়। পশ্চিমের বিরুদ্ধে এক জোট হয়ে পরোক্ষভাবে লড়াইও করে তারা। তবে একেবারে প্রকাশ্যে এসে তেমনটা করতে চায় না চীন। তাই উত্তর কোরিয়া সফরে গিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যখন কিম জং উনের সঙ্গে মিলে যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা জোটকে মোকাবিলার ঘোষণা দিয়েছেন, তখন চীন এ বিষয়ে কিছু না বলাকেই সমীচীন মনে করছে।

পুতিনের উত্তর কোরিয়া সফরের বিষয়ে চীনের অবস্থান জানতে চাইলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, এটা শুধুই রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার দ্বিপক্ষীয় মতবিনিময়। এর চেয়ে বেশিকিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

কেন রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার সুসম্পর্ক নিয়ে সতর্ক চীন, সে বিষয়টি বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে আলাপে ব্যাখ্যা করেছেন কারনেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের বিশ্লেষক টং ঝাও, ‘রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সামরিক সহযোগিতা নিয়ে চীনের কিছু সমস্যা রয়েছে। কারণ এর ফলে পিয়ংইয়ংয়ের উপর ভূরাজনৈতিক বিষয়াবলীতে যে একক প্রভাব বিস্তার করে বেইজিং, সেটায় জং ধরতে পারে।’

এছাড়া রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার মতো চীন নিজেদের পুরোপুরি পশ্চিমাদের থেকে দূরে সরিয়ে ফেলতে চায় না বলেও মনে করেন এই বিশ্লেষক, ‘বেইজিং, মস্কো এবং পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে একটা ডি ফ্যাক্টো ত্রিপক্ষীয় জোট গড়ে উঠুক, এটা বেইজিং চায় না। কারণ এমনটা হলে পশ্চিমের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে সমস্যা হবে চীনের।’

আন্তর্জাতিক মহলে উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে বড় সমর্থক এখনো চীন। তবে সাম্প্রতিক সময় রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে উত্তর কোরিয়ার। করোনা মহামারির পর নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক সফরের জন্য রাশিয়াকে বেছে নেন কিম জং উন। একইভাবে গত বছর উত্তর কোরিয়ার সীমান্তে কড়াকড়ি শিথিল হওয়ার পর প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে উত্তর কোরিয়া সফর করলেন পুতিন।

মস্কো-পিয়ংইয়ংয়ের সখ্যতা যে বাড়ছে, তার আরেকটা প্রমাণ ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার উত্তর কোরিয়ায় তৈরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার। সবমিলিয়ে পুতিন-কিমের সুসম্পর্ক নিয়ে আপাতত কিছুটা চাপেই রয়েছে চীন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর