বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল ২০২৬, ১০ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

পশ্চিমাদের সতর্ক করলেন পুতিন

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
২৯ মে ২০২৪, ১৩:৪০

পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলার জন্য ইউরোপের ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো ইউক্রেনকে তাদের অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তাব দিচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা আগুন নিয়ে খেলছে। ফলে বিশ্বব্যাপী সংঘাত শুরু হতে পারে বলে সতর্ক করেন পুতিন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে আকস্মিক হামলা চালায় রাশিয়া। তারপর থেকে দুদেশের সংঘাত চলছেই। এখনও সংঘাত বন্ধের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইউক্রেনকে নানা ধরনের সহায়তা দিতে গিয়ে পরোক্ষভাবে এই যুদ্ধে জড়িয়ে গেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাতে লিপ্ত হয়েছে ইউক্রেন এবং রাশিয়া।

এর আগে ন্যাটোর মহাসচিব জেন্স স্টলটেনবার্গ দ্য ইকোনমিস্টকে বলেন, রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা চালাতে জোটের সদস্যদের উচিত ইউক্রেনকে পশ্চিমা অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করা।

তার এমন বক্তব্যের পর পুতিন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি এ ধরনের কিছু ঘটতে থাকে তবে তা মারত্মক পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। যদি ইউরোপে এই গুরুতর পদক্ষেপ নেয় তবে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে তা সামাল দেবে?

পুতিন বলেন, তারা কি বিশ্বজুড়ে সংঘাত চাচ্ছে? রাশিয়ার ওপর দূরপাল্লার অস্ত্র নিয়ে ইউক্রেন যদি হামলা চালাতে চায় তবে পশ্চিমা স্যাটেলাইট, গোয়েন্দা তথ্য এবং সামরিক সাহায্যের প্রয়োজন হবে। এমনটা ঘটলে পশ্চিমা দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে যাবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইউক্রেনে ফরাসি সেনা পাঠানো হলে তা বৈশ্বিক সংঘাতের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

ইউরোপে ন্যাটো সদস্যদের কথা বলতে গিয়ে পুতিন বলেন, ছোট দেশগুলোর উচিত তারা কী নিয়ে খেলছে সে সম্পর্কে সচেতন হওয়া। রাশিয়ার অভ্যন্তরে হামলা চালানোর আগে তাদের এর পরিণতি সম্পর্কে চিন্তা করা উচিত।

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর গত ৬০ বছরের মধ্যে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।

এই সংঘাতে ইউক্রেনে কয়েক হাজার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েক লাখ মানুষ প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর